স্পোর্টস রিপোর্টার
নতুন খেলোয়াড় বাছাই করে আগামী দিনের জন্য জাতীয় দল গড়ার লক্ষ্য বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন তত্পরতা শুরু করেছে । অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কাবাডিতে কোচিং কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। সেটাই বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ফেডারেশন সেদিকেই হাঁটছে। নতুন কোচিং স্টাফের মধ্যে রয়েছেন কোচ ট্রেইনার ফিজিও। আনা হচ্ছে টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর। কাবাডি ফেডারেশন সূত্রের খবর আগামী ১০ জুন ভারতের হরিয়ানার কোচ সাজু রাম আসবেন। এই কোচ গত এশিয়ান গেমসে ইন্দোনেশিয়ার কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনই তার কোচিং স্টাইল, তার কোচিং দর্শন কাবাডি ফেডারেশনের নজর কাড়ে। তখন থেকেই কাবাডি ফেডারেশন সাজু রামের দিকে হাত বাড়ায়। বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দলের দায়িত্ব তুলে দেয়ার কথা ভাবে। সাজু রামের সঙ্গে কাবাডি ফেডারেশনের কথা হচ্ছে অনেকদিন হয়ে গেল। এবার শোনা যাচ্ছে তিনি আসবেন। ভারতেরই আরেকজন কাবাডি বিশেষজ্ঞ রাও প্রাসাদ আসবেন টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর হিসেবে। রাও প্রাসাদ কাবাডির বিষয়ে বেশ কয়েকবার ঢাকায় এসেছেন। ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। কিভাবে কাবাডি খেলাটা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। পরিকল্পনাও দিয়েছেন তিনি। সেগুলো যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে রাও প্রসাদ এবং কোচ সাজু রাম এক সঙ্গেই ঢাকায় আসবেন।
কোচিংয়ে ফিজিওর গুরুত্ব অনেক বেশি। কঠোর প্রশিক্ষণ হবে আর ফিজিও থাকবে না সেটা মানতে রাজি না ফেডারেশন। খেলোয়াড়দের শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখতে ফিজিও গুরুত্ব অনেক বেশি। ইরান হতে ফিজিও আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফিজিও হাসান ইরানের জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাকেই পছন্দ বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের। কোচ সাজু রাম এবং টেকনিক্যাল ডাইরেক্টরকে বলা হয়েছে ট্রেইনার আনার জন্য। তারা পছন্দ করে একজনকে নিয়ে আসবেন।
কোচ ফিজিও ট্রেইনার এক বছরের চুক্তিতে কাজ করবেন। বিসিবি তাদের বেতন বহন করবে। ঈদের পর কাবাডির কোচিং স্টাফ যুব দল গঠনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে। ৬০ জনকে ডাকা হবে প্রশিক্ষণ এবং বাছাইয়ের জন্য। ১২-১৪ জুন ট্রায়াল হবে। এখন থেকে বাছাই করে খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া হবে অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দল।
