ভারি ও টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে ছাগলনাইয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী। উপজেলার উত্তর পানুয়া, পশ্চিম ছাগলনাইয়া, কাশিপুর, নিজপানুয়া, লক্ষ্মীপুর, উত্তর কুহুমা, দক্ষিণ কুহুমা, উত্তর মন্দিয়া, দক্ষিণ মন্দিয়া, জয়পুর, চম্পকনগর, বল্লভপুর, জগন্নাথ সোনাপুর, সিংহনগর, দুর্গাপুর, বাঁশপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ। বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শত শত পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। সরকারি-বেসরকারি কোন ত্রাণসামগ্রী এখন পর্যন্ত বন্যাদুর্গত এলাকায় পৌঁছেনি। পানিবন্দী মানুষ অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।
কমলগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে দু’শ’ পরিবার পানিবন্দী
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা জানান, টানা বর্ষণে ধলাই ও লাঘাটা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কমলগঞ্জে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকার দু’শ’ পরিবার পানিবন্দি। এতে মিনারাই, আফসলগতি, কোনাগাঁও, নন্দগ্রাম, চাঁনপুর, জগন্নাথপুর, দক্ষিণ পতনউষার ও ধুপাটিলার আংশিক এলাকার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এলাকার ফসলি জমি ও বীজতলার ক্ষতি হয়েছে। পরিবারগুলোর মাঝে মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে চিড়া ও গুড় বিতরণ করা হয়। কমলগঞ্জ ইউএনও মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ চৌধুরী ত্রাণ হিসাবে পরিবারপ্রতি ২ কেজি চিড়া ও ৫০০ গ্রাম করে গুড় বিতরণ করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামছুদ্দীন ও উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা মো. আসাদউল্যা মত্স্য সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ পরিদর্শন করেন।
