চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিচ্ছেন তরুণ অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। অল্প সময়েই নিজের মেধা ও প্রতিভায় অনন্য এই অভিনেত্রী জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। মিডিয়ায় ব্যস্ত জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী সম্পর্কে ব্যতিক্রম কিছু তথ্য থাকছে এবারের আয়োজনে। অনুলিখন করেছেন আহসান রনি
মাহিয়া মাহি
ডাকনাম :মাহি
জন্মতারিখ :২৭ অক্টোবর
পড়াশোনা :শান্তা মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে ২য় সেমিস্টারে পড়ছি।
অনুপ্রেরণা :মা ও জাজ মাল্টিমিডিয়া
প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :প্রথম শুটিংয়ের দিন সকাল থেকে মেকআপ নিয়ে বসেছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে যাই। পরের দিন সকালে উঠে শুনি আমি নাকি আগের দিন শুটিং করেছি। আসল ঘটনা হলো সেদিনের শট ছিল আমার ঘুমের দৃশ্যের। তাই সবাই আমার ঘুম অবস্থায় ন্যাচারাল শট নিয়ে নিয়েছিল।
অভিনেত্রী না হলে যা হতেন :বিয়ে করে গৃহিণী হতাম।
আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :নিজেকে দেখে কখনও নায়িকা মনে হয় না। মনে হয় নায়িকা হওয়ার কোনো বৈশিষ্ট্য আমার নেই।
সম্প্রতি দেখা চলচ্চিত্র :ভালোবাসা এক্সপ্রেস (বাংলা), রামাইয়া ভাস্তাবাইয়া (হিন্দি)
বারবার শোনা গান :যখন যেই গান ভালো লাগে সেই গানটা বারবার শুনি। মাঝে মাঝেই পছন্দটা পরিবর্তন হয়।
যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :আমি ছোটবেলা থেকে বই পড়ায় ফাঁকিবাজ। বই পড়তে বসলেই আমার ঘুম আসে।
ফার্স্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :গার্লিক ব্রেড উইথ চিজ ও সুপ্রিম পিত্জা।
আড্ডার সময় বিষয়গুলো :আমার দুইজন বেস্ট ফ্রেন্ড আছে। ওদের সাথে প্রচুর আড্ডা হয়। কিন্তু আড্ডার টপিক কখনই ঠিক থাকে না। তবে মিডিয়া নিয়ে কখনই আলোচনা হয় না।
যে জায়গায় যেতে চাই বারবার :বাংলাদেশের সিলেট এবং দেশের বাইরে সুইজারল্যান্ড।
মজার স্মৃতি :স্কুলে আমি খুব দুষ্টু হিসেবে পরিচিত ছিলাম। একবার টিফিনের আগে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সব বন্ধুদের জন্য সিঙ্গাড়া নিয়ে আসতে ক্যান্টিনে গেলাম। ক্যান্টিন থেকে ২২টি সিঙ্গাড়া নিয়ে ক্লাসে ফিরে দেখি স্কুলের সবচেয়ে রাগী ম্যাডাম দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি রোদের মধ্যে মাঠের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে রাখলেন এবং ২২টি সিঙ্গাড়া আমাকে খাওয়ার আদেশ দিলেন। ভয়ে ১০-১২টি খাওয়ার পর চোখ-মুখ লাল হয়ে গেল, তাই অনেক ভয়ে ভয়ে ম্যামের কাছে মাফ চাইলাম। ম্যাম অবস্থা খারাপ দেখে মাফ করে দিলেন। কিন্তু সেই স্মৃতি কোনোদিন ভুলব না।
