কন্যাসন্তান অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৪, ২০:৫০
কন্যাসন্তান এখন আর অভিশাপ নয়, আর্শীবাদ। এক সময় কন্যাসন্তানকে অভিশাপ মনে করা হতো। প্রাচীন আরবে কন্যাসন্তান জন্ম হলে জীবন্ত মাটিতে পুঁতে ফেলা হতো। আমাদের দেশেও কন্যাসন্তান হলে মা-বাবা এবং পরিবারের সবাই বেশ নাখোশ হতো। কন্যাসন্তানকে অবহেলা করা হতো। পরিবারের বোঝা মনে করা হতো কন্যাসন্তানকে। পক্ষান্তরে ছেলেসন্তান হলে সবাই বেশি খুশি হতো। কারণ ছেলে বড় হয়ে আয়-রোজগার করতে পারবে। পরিবারের সমস্ত দায়দায়িত্ব নেবে। ছেলের বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে অনেক কিছু পাওয়া যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর মেয়ে বিয়ে দিতে অনেক টাকা খরচ হবে। অতীতে অনেক পরিবারে দেখা গেছে ছেলেসন্তানের আশায় অনেক কন্যাসন্তান জন্ম নিয়েছে। কন্যাসন্তান এবং ছেলেসন্তানের মধ্যে চরম বৈষম্যের কারণে মেয়েরা নানাভাবে নিগৃহীত হতো। কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। মেয়েদের অবস্থান এখন আর আগের মতো নেই। আমাদের বর্তমান সমাজে মেয়েরা অনেক এগিয়ে গেছে। লেখাপড়া শেষ করে চাকরি নিয়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। বর্তমানে মেয়েরা প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে—চিকিত্সক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিক্ষক, অধ্যাপক, সাংবাদিক, ব্যাংকার, সেনাবাহিনী, পুলিশবাহিনীসহ বিভিন্ন পেশায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মেয়েদের এখন আর অবহেলা করার সুযোগ নেই। মেয়েরা এখন বাবা-মায়ের অবলম্বন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অন্যদিকে ছেলেরা লেখাপড়া শেষ করে চাকরি নিয়ে বিয়েশাদি করে বাবা-মাকে ফেলে চলে যাচ্ছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম রয়েছে। মেয়েরা কিন্তু বিয়ে হয়ে গেলেও তারা তাদের বাবা-মায়ের প্রতি যত্নশীল থাকে। এখন তারা বাবা-মায়ের আর্শীবাদ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম