ঝিনাইদহ জেলা সদর, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর শহরের মধ্যে হাট বসায় তীব্র যানজটে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ পৌর কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোনো চিন্তাভাবনা নেই।
ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রস্থলে সপ্তাহে রবি ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। হাটের দিন প্রধান সড়ক জুড়ে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে ও নানা পণ্যের হাট বসে। সৃষ্টি হয় যানজটের। ব্রিটিশ আমল থেকে ঝিনাইদহে হাট বসে আসছে। আগে পুরানো হাটখোলায় হাট বসত। পরে হাট স্থানান্তর করা হয় ৬০-এর দশকে। কিন্তু সে নতুন হাটও শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। গত ৫০ বছরে শহরের ব্যাপক ব্যাপ্তি হয়েছে। এখন হাট স্থানান্তর সময়ের দাবি। শৈলকুপা শহরের কেন্দ্রস্থলে শনি ও মঙ্গলবার হাট বসে। এক রাস্তার এ শহরে হাটের দিনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় চরম জনদুর্ভোগের। ব্রিটিশ আমল থেকে শৈলকুপায় হাট বসে আসলেও তা স্থানান্তর করা হয়নি। নদী ভরাট করে হাটের জায়গা সমপ্রসারণ করা হয়েছে। দোকান মালিকগণ ফুটপাত দখল করায় সমস্যা আরো প্রকট হয়েছে। একইভাবে কালীগঞ্জ শহরের কেন্দ্রস্থলে সোম ও শুক্রবার হাট বসে আসছে ব্রিটিশ আমল থেকে। হাটের দিন শহর জুড়ে যায় আলমসাধু, নসিমন ও অন্য যানবাহনে। মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে না। রাস্তার উপর বসে দোকানপাট। জেলার প্রাচীন শহর কোটচাঁদপুরেও হাট স্থানান্তর করা হয়নি। দেড়শ’-দুশো বছরের ব্যবধানে লোকসংখ্যা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বহুগুণে বেড়ে যাওয়ায় আর স্থানসংকুলান হচ্ছে না।
