বেকারত্ব আমাদের দেশে প্রধান সমস্যা। একজন বেকার যার কোনো উপার্জন নেই; তাকে ১০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক ড্রাফট পে-অর্ডার ইত্যাদির মাধ্যমে চাকরির জন্য মেধা মূল্যায়ন ফি দিতে হয়। আবার ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য দুই-তিন হাজার টাকা খরচ করে ঢাকা যেতে হয়। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত অভিভাবকরা কীভাবে সন্তানদের টাকা খরচ করে বারবার ঢাকায় পাঠাতে পারেন?। এছাড়া সরকারিভাবে বেকারত্ব দূরীকরণে চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনে পে-অর্ডার ও ব্যাংক ড্রাফট ফি কমানোর পাশাপাশি শুধু রাজধানীতে মূল্যায়ন পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন না করে বরং দেশের বিভাগীয় শহরে বা পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার সমন্বয়ে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগদানের ব্যবস্থা করা উচিত। এদেশের শতকরা ১০ ভাগ মানুষ প্রতিবন্ধী। আমাদের দেশে এমন অনেক প্রতিবন্ধী আছে যাদের একা চলাফেরা করতে কষ্ট হয়। তাদের সঙ্গে আরো দু’একজন লোক থাকে বলে খরচও একটু বেশি হয়। এছাড়া অভিভাবকরা তাদের একা কোথাও বিশেষ করে ঢাকার মতো জনবহুল শহরে পাঠাতে সাহস পান না। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রদানের বিষয়ে খুবই সচেতন। অতএব সার্বিক দিক বিবেচনা করে প্রতিবন্ধী ও সকল নিয়োগ প্রার্থীদের সুবিধার্থে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর কেন্দ্র পরীক্ষার্থীর নিজ জেলা বা কয়েকটি জেলার সমন্বয়ে অথবা বিভাগে করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি এবং স্থানীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলোতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কথা বিবেচনা করা উচিত।
এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন,
রংপুর
