ঠাকুরগাঁও জেলার পাশেই ভারতের বর্ডার থাকায় অনায়াসে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে ফেনসিডিল নামক মরণ নেশা। আর ওই ফেনসিডিল খেয়ে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মাদক সম্রাটরা জেলার প্রতিটি থানার কিছু অসাধু পুলিশ এবং উঠতি বয়সের কিছু শিক্ষার্থীদের এ মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহার করছে। এছাড়াও শহরের কিছু টোকাইদের তারা অর্থের লোভ দেখিয়ে মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহার করে চলেছে।
জানা যায়, জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসু, হরিণমারী, মোড়লহাট, স্কুলের হাট, সদর উপজেলা বেংরোল, জিয়াবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই গাঁজা ও ফেনসিডিল বিক্রি হয়। প্রতিদিনই এসব এলাকা থেকে মাদকসেবী কেউ না কেউ আটক হচ্ছে। কিন্তু মাদক বিক্রি কমছে না। ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গীর উপজেলার দুওসু গ্রামে প্রতিদিন আনুমানিক ১০০টি মোটর সাইকেলের আনাগোনা রয়েছে, শহর থেকে সেখানে প্রতিদিন ফেনসিডিল সেবন করতে আসে যুবকরা। ওই এলাকায় ফেনসিডিলের দাম কম হওয়ায় এবং বিক্রেতারা তাদের পরিবারের তরুণীদের দিয়ে সেবনকারীদের ফেনসিডিল পরিবেশন করায় সেবনকারীরা সেখানে যেতে পছন্দ করেন। ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফয়সল মাহমুদ জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। জেলার প্রতিটি থানার ওসিদের এ ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
