নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বর্বরোচিত বোমা হামলার চার্জ গঠনের সাক্ষী শুনানির দিন গতকাল সোমবার ধার্য থাকলেও ৩ জন সাক্ষী আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে এই দিন সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত মালিক আবদুল্লাহ আল আমিনের আদালতে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২২ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ১৬ জুন ভয়াবহ বোমা হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা ২টি মামলার চার্জশিট ২০১৩ সালের ২ মে আদালতে জমা দেয় মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপর গত ২০ এপ্রিল চার্জ গঠন করা হয়। চার্জশিটভুক্ত ৬ জনের মধ্যে মোরসালিন ও মোত্তাকিম ভারতের কারাগারে, সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু জামিন ও ওবায়দুল্লাহ নামের একজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেফতার রয়েছেন— ক্রসফায়ারে নিহত যুবদল ক্যাডার মমিনউল্লাহ ডেভিডের ছোট ভাই রমনা বটমূল বোমা হামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাতউল্লাহ জুয়েল ও হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান।
এ ২টি মামলায় বাদীসহ ৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তারা হলেন— বাদী নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, চাষাঢ়া এলাকার তারিক আউয়াল, নিকসন কুমার সেন, কাজল ইসলাম, রাজীব দাস, সুমন ও খবির আহম্মেদ। উল্লেখ্য, সাক্ষীদের মধ্যে গতকাল খোকন সাহা, সুমন ও তারিক আউয়ালের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তাদের কেউ আদালতে উপস্থিত হয়নি। তবে অভিযুক্ত মুফতি আবদুল হান্নান ও জুয়েলকে আদালতে উপস্থিত করা হয়।
