১৯ দিন পার হয়ে গেলেও নাফনদীতে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উদ্ধার করতে পারেনি বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। দালালের গুলিতে নিহত ৫ জনসহ মালয়েশিয়াগামী ৩১৮ যাত্রীবাহী ঐ জাহাজটি গত ১১ জুন আটক করে কোস্টগার্ড। যাত্রীদের উদ্ধারের পর গত ১২ জুন সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ টেনে নিয়ে আসার সময় শাহপরীর দ্বীপ নাফনদী এলাকায় জাহাজটি ডুবে যায়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, দালালের গুলিতে আহত ৬৮ জন যাত্রীকে ১১ জুন রাত দুইটায় টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরদিন দুপুরে সেন্টমার্টিন থেকে বাকী যাত্রীদের চারটি সার্ভিস ট্রলারে করে নিয়ে আসেন তারা। এ সময় উদ্ধারকৃত জাহাজটি রশি দিয়ে টেনে নিয়ে আসার সময় শাহপরীরদ্বীপ নাফনদী এলাকায় রশি ছিঁড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই জাহাজটি ডুবে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের কমান্ডার লে. কাজী হারুনুর রশিদ জানান, জাহাজটিতে পানি ঢুকে নাফনদীর গভীর জলে সেটি ডুবে যায়। জাহাজটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
