নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের চিটুয়ানওপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ফারুক মিয়ার ছেলে ৫ম শ্রেণির ছাত্র শুক্কুর আলী (১২) নামে অপহূত এক স্কুলছাত্রের লাশ ২১ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণকারী সোহাগের স্বীকারোক্তি মোতাবেক মঙ্গলবার উপজেলার চিটুয়ানওপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী সূতিনদী থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ রাজিবপুর তারাকান্দা গ্রামের হুমায়ূন কবীরকে আটক করে। ওইদিন রাতে হুমায়ুন কবীরের জবানবন্দি অনুযায়ী চিটুয়ানওপাড়া গ্রামের কলেজ ছাত্র সোহাগ ও একই গ্রামের শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। ৯ জুন বাড়ির পাশে হাওর থেকে গবাদিপশু আনতে গিয়ে শুক্কুর আলী অপহূত হয়। পরে শুক্কুর আলীর বাবার কাছে অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় সোমবার কেন্দুয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে মোহাম্মদ ফারুক মিয়া। এদিকে সোমবার রাতে মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে উপজেলার রাজিবপুর তারাকান্দা গ্রামের হুমায়ূন কবীর নামে এক কলেজ ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ওইদিন রাতে হুমায়ুন কবীরের জবানবন্দি অনুযায়ী চিটুয়ানওপাড়া গ্রামের কলেজ ছাত্র সোহাগ ও একই গ্রামের শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে শুক্কুর আলীকে অপহরণের পর হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করে তারা। এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অভিরঞ্জন দেব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি মতে স্কুলছাত্র শুক্কুর আলীর লাশ মঙ্গলবার বিকেলে উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
