পদবি ও সনদপত্রের মূল্যায়নে বৈষম্য

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৪, ২১:০০
আমাদের দেশে শিক্ষার অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এত চেষ্টার পর শিক্ষার্থীরা যে সনদপত্র হাতে পাচ্ছে তা নিয়ে কর্মজগতে প্রবেশ করার পর মূল্যায়নটা যদি হয় অমূল্যায়নের মতো তবে কেমন অনুভূতি হতে পারে তার? যেমন মাধ্যমিক বেসরকারি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (বিএডবিহীন মাস্টার্স পাস) যে ধৈর্য, শ্রম ও মেধা দিয়ে ডিগ্রিগুলো অর্জন করেছেন তিনি পাচ্ছেন মহার্ঘভাতাসহ ৮৪২১ টাকা। অন্যদিকে ৮ম শ্রেণি পাস দপ্তরি পাচ্ছেন ৭০০০ টাকা। তাহলে ৪টি সনদ ও পদবির কারণে একজন শিক্ষক বেশি পাচ্ছেন ১৪২১ টাকা যদি পদবীর কারণে অতিরিক্ত টাকা বাদ দিয়ে শুধু সনদপত্রের কারণে ধরি তাহলে প্রতি সনদপত্রের জন্য তিনি অতিরিক্ত পাচ্ছেন প্রতি মাসে ৩৫৫ টাকা। এটাই হলো সনদপত্রের মূল্যায়ন। অন্যদিকে একই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যিনি প্রধানশিক্ষক হচ্ছেন তিনি পাচ্ছেন ১৮০০০ টাকা যাতে করে তিনি পদবির কারণে অতিরিক্ত পাচ্ছেন ১০,০০০ টাকা। অথচ সহকারী শিক্ষক পদবির মূল্যায়ন একেবারে নেই বললেই চলে। এরকম সনদ ও পদবি মূল্যায়ন চলতে থাকলে শিক্ষিত ব্যক্তিরা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষিত করতে কতটা আগ্রহী হবে তা সবারই অনুমান করার কথা। তাই সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী পে স্কেলে যথার্থ মূল্যায়নের অনুরোধ করছি। মনির হোসাইন, সহকারী মৌলভী, দক্ষিণগাঁও কালিয়াব দাখিল মাদরাসা, কাপাসিয়া, গাজীপুর