একজন শিক্ষা কর্মকর্তার দাবিকৃত উেকাচের টাকা দিতে না পারায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষক রমজান মাসের অবকাশ কালিন শ্রান্তি বিনোদন ভাতা তুলতে পারেনি। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে। মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা গত ২৩ এপ্রিল স্বাক্ষরিত এক পত্রে উলিপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য (বিনোদন ভাতা) অবকাশ কালিন সময়ে শ্রান্তি বিনোদন ছুটিসহ ১ মাসের বেতন সম-পরিমাণ ভাতা প্রদানের নির্দেশ দেন। আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সহকারী শিক্ষক আবু রায়হান সিদ্দিকের নামে ৬ হাজার আজাদুল ইসলামের নামে ৫ হাজার ৪৯৫, বিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ১৮ জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষর করে তার নিজের হেফাজতে রেখে দেন। ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষকরা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করে বিল পৌঁছেনি বলে অবহিত হন। এরপর শিক্ষকরা তাদের বিলের খোঁজ নিতে শিক্ষা অফিসে এসে জানতে পারেন, বিল ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ৩০ জুন বিল প্রদানের শেষ তারিখ। কিন্তু শিক্ষা অফিসার ঐ বিল তার তত্ত্বাবধানে গত ১ জুলাই জনতা বাংক লিঃ ত্রিমোনী শাখায় পাঠালে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। ফলে ঐসব শিক্ষক তাদের রমজান মাসের অবকাশ কালীন প্রাপ্য শ্রান্তি বিনোদন ভাতা থেকে বঞ্চিত হন। জনতা বাংক লিঃ ত্রিমোনী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক তাজুল ইসলাম জানান, সঠিক সময়ে বিল না আসায় তাদের পক্ষে গত আর্থিক বছরের টাকা দেয়া সম্ভব না। এদিকে, বঞ্চিত শিক্ষকরা এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বিলম্বে বিল পাঠানোর কথা স্বীকার করে বলেন, এ টাকা শিক্ষকরা জুলাই মাসে পাবে।
