ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনে সব ধরনের মত্স্য সম্পদ আহরণ নিষিদ্ধ হচ্ছে। সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা বাগেরহাট জেলায় ৩০ হাজার জেলেকে দেয়া হবে আইডি কার্ড। মত্স্য আহরণ কাজে নিয়োজিত এ জেলেদের বিকল্প আয়ের উত্স ভাবছে সরকার। রবিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে জাতীয় মত্স্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে গণমাধ্যম ব্যক্তিদের সাথে ফরমালিনের ব্যবহার রোধ ও জলাশয় সংরক্ষণে সচেতন বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় জেলা মত্স্য কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সুন্দরবনে সকল প্রকার মত্স্য সম্পদ আহরণ নিষিদ্ধ হলে সুন্দরবন হবে মাছের প্রজনন কেন্দ্র ও লালন কেন্দ্র। এর ফলে নিরাপদ সংরক্ষণে মাছের উত্পাদন কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, মত্স্য বিভাগের সহকারী পরিচালক লোকাস সরকার, কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, সাবেক সভাপতি এবিএম মোশারফ হোসাইন প্রমুখ।
জেলা মত্স্য কর্মকর্তা আরও বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার মত্স্যজীবীদের পরিবেশ বান্ধব জাল, বিকল্প কর্মসংস্থান ও খাদ্য কর্মসূচির আওতায় আনার দাবিগুলোর বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অবিলম্বে এ সকল বিষয়ে কার্যকরি ভূমিকা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি মনে করছেন। বাগেরহাট জেলায় ৩০ হাজার মত্স্যজীবী ও ৭৩ হাজার ঘের ব্যবসায়ী মত্স্য সেক্টরের সাথে জড়িত রয়েছে।
বনবিভাগের হিসাব অনুযায়ী সুন্দরবন থেকে প্রতিবছর ১৫ হাজার মেট্রিক টন সাদা মাছ, প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন চিংড়ি ও কাঁকড়া ও ৮শ’ মেট্রিক টন রুপালী ইলিশ আহরণ করা হয়। এই বনে রয়েছে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া।
