শেরপুরের নকলা উপজেলার চরাঞ্চলে চাষিরা পটল আবাদ করে লাভের মুখ দেখতে পারছে না। অজ্ঞাত রোগে তাদের পটল গাছ মরে যাচ্ছে। যাওবা টিকে আছে তা থেকে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাচ্ছে না।
সরেজমিন উপজেলার নারায়ণখোলা, চর মধুয়া, চর অষ্টাধর গ্রামগুলো ঘুরে এবং চাষিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায় চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমিতে তারা কার্তিক মাসে আলুচাষের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে পটল বীজ বুনে দেন। আলু তোলার পর ঐ জমিতে পটলের জন্য মাচা তৈরি করেন। চৈত্রমাসে পটল বিক্রয় উপযোগী হয়ে ওঠে। নারায়ণখোলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম, মনজুরুল ইসলাম জানান, গত ২/৩ বছর যাবত্ অজ্ঞাত রোগে তাদের পটল গাছ মরে যাচ্ছে। ফলনও কমে গেছে। প্রতিকার হিসেবে তারা স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিষেধক ওষুধ প্রয়োগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। ফলে অনেক চাষি পটল আবাদ করা বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শ্রী সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ জানান, মাটির কোন উপাদানের অভাবে এ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত তারা কোন অভিযোগ পাননি। তবে পেলে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান।
