বিল্লালের খুনিদের পুলিশ ধরছে না, ওরা আমাদের হুমকি দিচ্ছে

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৪, ২১:৫৬
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের বেশিরভাগই ঘটনার ১০ দিনেও গ্রেফতার হয়নি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত বিল্লালের পরিবারের সদস্যরা। সোমবার দুপুরে তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না। আসামিরা নিহতের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তবে পুলিশ বলছে আসামিদের গ্রেফতারে তাদের অভিযান চলছে। নিহতের স্ত্রী হাসিদা বেগম, মেয়ে বিউটি আক্তার ও ছেলে মাসুম মিয়া জানান, টানা ৯ বছর সোনারগাঁও উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী বিল্লাল হোসেন গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় নিজ গ্রাম ফতেপুরে একটি বিয়ের দাওয়াত শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী শহীদুল্লাহ, তার পুত্র মোবারক, আনোয়ার, আবুল হোসেন, বজলুর রহমান, মতিউর রহমান, মোস্তফা, মোশারফ, আবু, আল আমিনসহ ২০ জন সন্ত্রাসী তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে লাশ শহীদুল্লাহর বাড়ির সামনে ফেলে রাখে। এরা মূলত এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের অপকর্মে বাধা দেয়ার কারণেই বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, পুলিশ তত্পর হলেই আসামিদের গ্রেফতার করতে পারে। তাছাড়া এখন নিহতের পরিবারকে নিরাপত্তা দেয়াও প্রয়োজন। চেক জালিয়াতি মামলায় কাউন্সিলর আটক নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনকে গতকাল সকালে পাইকপাড়া এলাকা থেকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, সেলিম মাহমুদ নামের এক ব্যক্তিকে ৪০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যাংকের একটি চেক প্রদান করেন আলমগীর হোসেন। কিন্তু ঐ চেকের বিপরীতে ব্যাংকে কোন টাকা ছিল না। ঐ চেক জালিয়াতির মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।