২০১২ সালের শুরুর দিকের কথা... এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১ রানের পরাজয়। পুরো বাংলাদেশ স্তব্ধ! সবার মন খারাপ। মন খারাপটা বাড়লো পরের দিন পত্রিকার প্রথম পাতায় সাকিব আল হাসানের কান্না ভেজা ছবি দেখে। সে ছবি দেখে অনেকেই নতুন করে কেঁদেছেন যারা আগের দিন পাকিস্তানের জয়ে খুশি হয়ে কাঁদেননি।
এবারের আইপিএল-এ বাংলাদেশের অনেকেই কেকেআর-কে সাপোর্ট করেছিলেন শুধুমাত্র সাকিব কেকেআর-এ খেলে বলে। সাকিব আউট হয়ে গেলে শাহরুখ খানের কেকেআর বাঙালিদের কাছে গুরুত্ব হারিয়ে ফেলতো।
অভিযোগ আছে যে সাকিব আল হাসান প্রায়ই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। মুখে যাই আসে তাই বলেন। স্পষ্টভাষী ছেলেটাকে ধীরে ধীরে খুব ভালো লেগেছিল। সে যত যাই বলুক কিংবা খোঁচাখুঁচি করুক না কেন তাকে কখনো দোষ দেইনি। দোষ দেওয়া সম্ভব ছিল না। যে ছেলেটা বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার হয়ে বাংলাদেশের নাম বিশ্বে উজ্জ্বল করে তার একটু আধটু অত্যাচার মেনে নেওয়াই যায়! কিন্তু আজ যা বললো তা কীভাবে মেনে নিই?
স্পষ্টভাষী সাকিব আল হাসানের এটাই যদি মনের কথা হয়ে থাকে তাহলে তাকে আর ভালো লাগার কথা না। সাকিবের আইপিএল জয় কিংবা টেস্ট ক্রিকেটে এক নম্বর অল রাউন্ডার হওয়ার খবরগুলোর আর গুরুত্ব থাকবে না আমার কাছে, আমাদের কাছে। তার চেয়ে অপু বিশ্বাস ২২ কেজি ওজন কমিয়েছেন এই খবরটা অনেক মনোযোগ দিয়ে পড়বো।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
