মোবাইল ফোনের সব ধরনের সেবার ওপর এক শতাংশ হারে সারচার্জ (করের উপর কর) বসাতে যাচ্ছে সরকার। সেবা বাবদ প্রাপ্ত আয়ের ওপর কোম্পানিগুলোকে এই কর দিতে হবে। বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) বাইরে অতিরিক্ত আরো এক শতাংশ হারে এই সারচার্জ আরোপের মাধ্যমে প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকা আদায় করতে চায় সরকার। এই টাকা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বাজেট পাসের দিন সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ফোনের ওপর নতুন সারচার্জ আরোপের পরামর্শ দেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে এনবিআর। গত এক সপ্তাহ ধরে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে। গতকাল মঙ্গলবার মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর প্রধান অর্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন এনবিআরের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠক সূত্র জানায়, সারচার্জ আরোপের বিষয়টি চূড়ান্ত করার আগে আরো বৈঠকের তাগিদ দিয়েছেন মোবাইল ফোন কোম্পানির প্রতিনিধিরা। তারা গ্রাহক পর্যায়ে বর্তমান কর ও ভ্যাটের অবস্থান তুলে ধরে নতুন করে সারচার্জ আরোপের বিরোধিতা করেন।
এদিকে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের মহাসচিব টি আই এম নূরুল কবীর ইত্তেফাককে বলেন, বাজেটে মোবাইলের কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন কর আরোপ করা হয়েছে। এখন আবার কর আরোপ করা হলে এই খাতটি নষ্ট হয়ে যাবে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, সদ্য পাস হওয়া বাজেটে মোবাইল ফোন সেট আমদানি ও উত্পাদন পর্যায়ে এক শতাংশ সারচার্জের আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল সেট আমদানির ওপর ভ্যাট বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। সিমকার্ড প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা ফিও ধরা হয়।
