সংবাদ কণিকা

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৪, ২০:৪২
পাকিস্তানে প্রায় ৮ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত পাকিস্তানে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানে দেশের ভেতরেই বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ৮ লাখ মানুষ। ‘দ্য ডন অনলাইন’ এক প্রতিবেদনে জানায়, ফাতা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এফডিএমএ) মঙ্গলবার বলেছে, উত্তর ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখে পৌঁছেছে। এফডিএমএর মুখপাত্র বলেছেন, কোনো পরিবারই যাতে সুবিধাবঞ্চিত না হয় সেজন্য দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাস্তুচ্যুত প্রতিটি ব্যক্তিরই নাম নিবন্ধন করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। করাচি বিমানবন্দরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার এক সপ্তাহ পরই উত্তর ওয়াজিরিস্তানে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের ওপর অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। -বিডি নিউজ আতঙ্কের মাঝেও বিশ্বকাপ উন্মাদনা ইরাকের রাজধানী বাগদাদ এখন আতঙ্কের শহর। কিন্তু এর মাঝেও কিছু মানুষ আতঙ্ক ভুলে থাকতে বেছে নিচ্ছেন বিশ্বকাপকে। বাগদাদের অনেক ক্যাফেতেই এখন এমন বহু মানুষের ভিড়। এমনই একটি ক্যাফেতে শনিবার রাদ আব্দুল হুসেইনকে দেখা গিয়েছিল টিভি থেকে চোখ না সরাতে। অথচ ক্যাফের বাইরে চলছে গোলাগুলি, বোমা হামলা। কিন্তু তার কাছে এসবের চেয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখাটাই বেশি আকর্ষণের। অর্থাত্ আতঙ্কের চেয়েও আনন্দের মাত্রাটা বেশি তার জন্য। ফেসবুক ক্যাফেতে তাই প্রায়ই নিজ বন্ধুদের নিয়ে প্রতিটি ম্যাচ দেখেন রাদ। ৩০ বছর বয়সী এই ট্যাক্সিচালক বলেন, ফুটবল আমাদের একত্রিত করেছে। এই একটা মাত্র সময় যখন দুশ্চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে আমরা একটু আনন্দে সময় কাটাই। এই ক্যাফেতে যে কোনো মুহূর্তে বোমা হামলা হতে পারে, কেউ আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে। কিন্তু তারপরও আমরা প্রতিটি ম্যাচ এখানে বসে দেখি। -ডয়চেভেলে দাম্পত্য জীবনে ক্ষতিকর যখন টুইটার বেশি বেশি টুইটার ব্যবহার করলে তা দাম্পত্য কিংবা রোমান্টিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন আভাসই পাওয়া গেছে। আগে ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এমন ফল পাওয়া যায়। গবেষণায় এমন ফলাফলের কারণে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সামগ্রিকভাবে সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার দাম্পত্য জীবনের জন্য ক্ষতিকর কিনা -এই নিয়ে ‘সাইবারসাইকোলজি, বিহেভিয়ার এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, টুইটার সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অনেক সময় একে অপরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন রোমান্টিক সম্পর্কের মধ্যে থাকা জুটি। বেশি টুইটার ব্যবহারের কারণে এমনটা হয়। আর এই বিরোধ থেকে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা ডিভোর্সের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। গবেষণাপত্রের লেখক রাসেল ক্লেটন মনে করেন, তার গবেষণায় রোমান্টিক সম্পর্কের উপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কুপ্রভাব ফুটে উঠেছে। গত বছর একই জার্নালে প্রকাশিত তার আরেক গবেষণাপত্র থেকে দাম্পত্য জীবনের উপর ফেসবুকের নেতিবাচক প্রভাবের কথা জানা যায়। জার্নালের প্রধান সম্পাদক ব্রেন্ডা ভিডারহোল্ড এই বিষয়ে বলেন, এসব তথ্য উপাত্ত থেকে এটাই বোঝা যায় যে, সামাজিক নেটওয়ার্কের সঠিক ব্যবহার নিয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন। —ডয়চেভেলে