ঈদ সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাদুকা ব্যবসা জমে উঠেছে। প্রতিটি কারখানায় এখন দিবারাত্রি কাজ চলছে। জানা যায়, বিহারী-পাঞ্জাবীদের কাছ থেকে রপ্ত করা ঐতিহ্যবাহী এ পাদুকা শিল্পকে সযত্নে ধারণ করে স্থানীয় শিল্পীরা একে এগিয়ে নিয়ে গেছে অনেকদূর। এখানকার উত্পাদিত পাদুকা স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত হচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটি কারখানায় এখন দিবারাত্রি কাজ চলছে। ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পে বর্তমানে ১০ থেকে ১৫ হাজার শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও সরকারি সহযোগিতা পেলে বিদেশেও রপ্তানি সম্ভব বলে এ শিল্পে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
জানা যায়, ৮০’র দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এই শিল্পের প্রসার ঘটে। শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পৌর এলাকার পীর বাড়ি, মেড্ডাসহ আশ-পাশের এলাকায় শত শত কারখানা গড়ে উঠেছে। সূত্র জানায়, এখানকার পাদুকার গুণগত মান ও টেকসই ভালো হওয়ায় কদর রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় পুঁজি আর উত্পাদিত পণ্যের দফায় দফায় মূল্য বৃদ্ধির কারণে দিশেহারা এই শিল্পের সাথে জড়িতরা। জেলা পাদুকা শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি কাজী সফি উদ্দিন জানান, জেলায় প্রায় ২ শতাধিক ফ্যাক্টরিতে ১০ হাজারেরও ঊর্ধ্বে শ্রমিক কাজ করছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্পের উত্পাদিত পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানিসহ অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব।
