দে খা র মু ভি
ডালাস বায়ারস ক্লাব
রন, পেশায় একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান আর নেশায় অনেককিছু। মদ থেকে শুরু করে এমন কোনো নেশা বাকি নেই যা সে করে না। বহুমুখী শারীরিক সম্পর্কের কারণে সে আক্রান্ত হয় এইডসে। প্রথমে বিশ্বাস না করতে পারলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখে সে বুঝতে পারে ডাক্তারদের কথাই ঠিক। বেঁচে থাকার প্রয়োজনে রন যায় মেক্সিকো পর্যন্ত। সেখানে খুঁজে পায় ড. ভাসকে যিনি ইউএসএ থেকে বিতাড়িত এইডস আক্রান্তদেরকে তাদের আইনের বিরোধী ড্রাগ সরবরাহ করায়। যেহেতু রন অধিকাংশ সময়ই অসুস্থ থাকে তাই কোথাও কাজ করাও তার জন্য কষ্টকর। তাই সে এই ড্রাগের ব্যবসা শুরু করে। আর পার্টনারশিপে যায় রেয়নের সাথে যে হিজড়া বলে সমাজে একদমই স্বীকৃত না। খুব বেশি শিক্ষিত না হলেও রন তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এই অবৈধ ব্যবসা করতে গিয়ে দুজন ধরাও খায়। শেষ পর্যন্ত কী হয় জানতে দেখে ফেলুন মুভিটি।
আরও যা দেখতে পারেন
মেলিফিসেন্ট
এজ অব টুমরো
অ্যা মিলিয়ন ওয়েজ টু ডাই ইন দ্য ওয়েস্ট
০০০
প ড়া র ব ই
ওয়ান নাইট অ্যাট দ্য কলসেন্টার
জীবনে তো অনেক ধরনের ফোন কলই রিসিভ করেছেন। কখনো কি ভেবেছেন মানুষ ছাড়াও অন্য কেউ আপনাকে ফোন দিতে পারে? এরকমই ভিন্নধর্মী একটি আইডিয়া নিয়ে লেখা বই চেতন ভাগাতের ‘ওয়ান নাইট অ্যাট দ্য কলসেন্টার’। পুরো গল্পের বিভিন্ন সময়জুড়ে আমরা দেখতে পাইকল সেন্টারে রাতের শিফটে কর্মরত কিছু মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি আভাস। প্রিয়াঙ্কা, ভ্রুম, শ্যাম, রাধিকা, মিলিটারি আঙ্কেল, এশা আর তাদের বসকে নিয়ে আবর্তিত হয় সম্পূর্ণ কাহিনী। আর পুরো কাহিনী মূলত একদিনের ঘটনা নিয়েই। রাত ৩টার দিকে সবাই মিলে কলসেন্টার থেকে কিছুক্ষণের জন্য বাইরে যায়। ইতোমধ্যে একটি অ্যাকসিডেন্টের কারণে তাদের গাড়ি এমন এক জায়গায় আটকা পড়ে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করে না। কিন্তু এরমধ্যেই হঠাত্ বেজে ওঠে ফোন। এরপরে কি হয় তা জানতে পড়ে ফেলুন বইটি। নিজের কমতিগুলো সুন্দরভাবে কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন তার জন্য উত্কৃষ্ট উদাহরণ এই বইটি।
আরও কিছু পড়তে পারেন
দ্য গডফাদার (মারিও পুজো )
অ্যাঞ্জেল অ্যান্ড ডেমন্স (লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি)
থিঙ্কিং ফিলসফিকালি (রিচার্ড ই ক্রিল)
০০০
শো না র গা ন
উই উইল নট গো ডাউন
২০০৯ সালে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদে মাইকেল হার্ট গানটি প্রকাশ করেন। প্রকাশের পরপরই গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। তার কাছে অনুরোধ আসতে থাকে গানটি ফ্রিতে ডাউনলোড করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। তিনি তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গানটি ফ্রি করে দেন এবং এরপর ৫০০,০০০ বার গানটি ডাউনলোড করা হয়। পুরো গানটিতে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে গাজার অধিবাসীদের উপর হামলা করা হয়েছে। যতবারই তাদেরকে হারানোর চেষ্টা করা হোক না কেন তারা আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তাদের সকল শিক্ষা এবং বিশ্বাস তাদের অন্তরে। সবকিছু ধ্বংস করেও সেইসব ধ্বংস করা যাবে না। কিছুটা অনুপ্রেরণার প্রয়োজন বোধ করলে শুনতে পারেন গানটি।
আরও কিছু শোনার গান
সিং (এড শেরেন)
অল অব মি (জন লিজেন্ড)
আই উইল নেভার লেট ইউ ডাউন (রিক অরা)
হোয়াই ডাজ ইট অলঅয়েজ রেইন অন মি (ট্রাভিজ)
টাইম (পিংক ফ্লয়েড)
