চট্টগ্রাম মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ এয়ারপোর্ট রোডসহ তত্সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠা প্রাইভেট আইসিডি’র কারণে যানজট নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদন দেয়া ২১টি প্রাইভেট আইসিডি’র মধ্যে প্রায় অর্ধেক সংখ্যক এয়ারপোর্টসহ সি-বিচ সড়কে অবস্থিত। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এর প্রধান পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী সাহিদুল ইসলাম জানান, উক্ত এলাকায় ১টি মাত্র প্রাইভেট আইসিডিকে তারা অনুমতি দিয়েছেন। সিডিএ’র নিকট আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ওই সকল এলাকায় প্রাইভেট আইসিডি’র অনুমতি চাইলেও দেয়া হয়নি। এরপরও ওই সকল এলাকায় আইসিডি নির্মাণের ব্যাপারে তিনি বলেন, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিষেধও করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও আইসিডি গড়ে উঠেছে। নগরীর এয়ারপোর্ট রোড এলাকায় বেসরকারি আইসিডি থাকায় প্রতিনিয়ত কন্টেইনার মুভার, কাভার্ডভ্যান, সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে থাকে। ওই একটি সড়ক দিয়ে আসা চট্টগ্রাম বন্দরের ৭/৮টি গেইটের মাধ্যমে পণ্য নিয়ে যানবাহনসমূহ ভেতরে ঢুকে এবং বের হয়। প্রাইভেট আইসিডি ছাড়াও সিইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড, তেল স্থাপনাসমূহ, সাইলো, টিএসপি, সিমেন্ট কারখানাসহ আরো অনেক শিল্প-কারখানার পণ্য বন্দরের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি কিংবা বিদেশ থেকে কাঁচা আসে। এই একটিমাত্র এয়ারপোর্ট সড়ক দিয়ে অত্র এলাকার আইসিডি এবং শিল্প-কারখানার পণ্যের মুভমেন্ট হয়ে থাকে। তাছাড়া দেশের অন্য সকল স্থান থেকেও বন্দরে আসা পণ্যবাহী যানবাহনসমূহও এ সড়ক হয়ে বন্দরে প্রবেশ করে। ফলে এয়ারপোর্ট রোডে সবসময় পণ্যবাহী যানবাহন বেশি চলাচল করে। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যা করে থাকে এয়ারপোর্ট রোড সংলগ্ন কন্টেইনারবাহী লরি, কাভার্ডভ্যান, ট্রাক। এ সকল বড় বড় যানবাহন চলাচলের ফলে বিমান বন্দরে চলাচলকারী যাত্রীদের যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
