এবার গরমে ঈদ হওয়ায় টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে বেশি। গতকাল বিভিন্ন শপিং মল ঘুরে দেখা গেছে, টি-শার্টের বাজার বেশ জমজমাট। নকশা আর কাপড়ের গুণগতমানের ওপর নির্ভর করে এর দাম। তবে কিছু নামি-দামি দোকান ও ব্র্যান্ডের টি-শার্টের দাম কিছুটা বেশি। একটি হাফ হাতার টি শার্টের দাম পড়বে ২০০টাকা থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত। আর ফুল হাতা টি শার্টের দাম পড়বে ৩০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। ইয়োলো, ইনফিনিটি, বিগবস, রেক্স, রিচম্যান এসব দোকানের টি-শার্টগুলোর কাপড়ের কোয়ালিটি সবসময় ভালো থাকে। তবে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের কিছু দোকান আছে যা কেবল টি-শার্টের জন্যই বিখ্যাত।
আজিজে বিভিন্ন লোকজ নির্ভর নকশা এবং দেশিয় ঐতিহ্য টি-শার্টের নকশায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এসব টি-শার্টের চাহিদা সবসময় থাকলেও গরমে এর চাহিদা থাকে অনেক বেশি।
আজিজ সুপার মার্কেটের গোমতি ফ্যাশন হাউজের বিক্রেতা শুভ বলেন, টি-শার্ট চলছে ভালোই। তবে আমাদের পাঞ্জাবি, ফতুয়াও বেশি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটা এখনো তেমনভাবে শুরু হয়নি। আগামী দুই একদিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে ঈদ বাজার।
সচেতন পুরুষরা ঈদের জন্য কেবল একটি পোশাক কিনেন না। একাধিক পোশাকের মধ্যে একটি টি-শার্ট অবশ্যই রাখেন। কারণ বাইরে না ব্যবহার করলেও বাসায় ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই টি-শার্ট কিনে থাকেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তন্ময় বলেন, আমি আজিজ মার্কেটের টি-শার্টই সব সময় ব্যবহার করে থাকি। এবার ঈদে আমি ঢাকা থেকে ছোট ভাই, দাদু ও বাবার জন্য টি-শার্টই নিয়ে যাবো। কারণ দাদু আমার টি-শার্টগুলো পছন্দ করে, তিনি টি-শার্ট পরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আমাদের পরিবারের সবক’জন পুরুষ সদস্যের জন্য টি-শার্ট কিনতে এসেছি।
১ বছরের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত যে কেউ এই টি-শার্ট ব্যবহার করতে পারেন। তবে উঠতিবয়সি তরুণরা টি-শার্ট বেশি পছন্দ করে থাকেন। ইদানিং মেয়েরাও এই টি-শার্ট স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করছেন।
নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাজিয়া রোজারিও বলেন, কয়েকটা টি-শার্ট আর দু’ চারটা প্যান্ট হলে আর ড্রেস কিনবার কোন ঝামেলা থাকে না। এসব টি-শার্ট বন্ধুদের আড্ডা কিংবা ঘরে বাইরে যে কোনখানে সহজে পরে চলাফেরা করা যায়। তাই টি-শার্টের ওপর ভরসা বেশি। তাকে আজিজ সুপার মাকের্ট থেকে একসঙ্গে ৫টি টি-শার্ট কিনতে দেখা যায়।
