বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, জনগণ এই অবৈধ সরকারকে হটিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সরকার চায়। এজন্য দরকার আন্দোলন। এদের (বর্তমান সরকার) সঙ্গে কথা বলে, আলাপ-আলোচনা করে কোনো ফল পাব বলে মনে হয় না। তারপরেও তাদের বলবো, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন। তা না হলে আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে ঈদের পর আন্দোলনে সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সুশীল সমাজসহ বিশিষ্টজনদের সম্মানে গতকাল গুলশানে ওয়েস্টিন হোটেলে কাজী জাফর আহমদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি আয়োজিত ইফতার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান সংসদ সংদের আড্ডাখানা। সংসদে জনগণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয় না। সেখানে গান-বাজনা, নাটক আর কবিতা পাঠ করা হয়। জনগণের করের টাকা এভাবে সেখানে নষ্ট করা হচ্ছে। কারণ তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন।
জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সভা পরিচালনা করেন দলটির মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবীব লিংকন। ইফতার পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী, এসএমএম আলম, আতিকুর রহমান আতিক, খালেকুজ্জামান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শফি আহমেদ প্রমুখ।
ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল লতিফ নেজামী, জামায়াতের ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, শামীম সিদ্দিকী, খেলাফত মজলিশের মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপি’র রেদোয়ান আহমেদ, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মুর্তজা প্রমুখও এতে যোগ দেন।
ইফতার পার্টিতে যোগ দেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, জসিমউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক তারেক শামসুর রহমান, অধ্যাপক পিয়াস করীম, ড. তুহিন মালিক, সাংবাদিক সাদেক খান, মাহফুজউল্লাহ, এএমএম বাহাউদ্দিন প্রমুখ। এ ইফতারে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, মরক্কো, ভিয়েতনামের কূটনীতিকরা অংশ নেন। ইফতারের আগে বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
