ফাইনাল খেলাটি আমাদের জীবনের সেরা ম্যাচ :মেসি

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৪, ২২:৪৩
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেছেন, জার্মানির বিরুদ্ধে গতকাল রবিবার রাতের বিশ্বকাপ ফাইনালটি তাদের জীবনের সেরা ম্যাচ। বাংলাদেশ সময় মধ্য রাতে অনুষ্ঠিত খেলাটির প্রাক্কালে বিপক্ষ সম্পর্কে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেই মেসি বলেন, ‘ফাইনালটি আমাদের জীবনের সেরা ম্যাচ।’ ঐতিহাসিক মারাকানায় অনুষ্ঠিত এই মহারণকে ঘিরে মুখিয়ে ছিল গোটা বিশ্ব। শ্রেষ্ঠত্বের জন্য মাত্র একধাপ দূরে ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। মাঠে নামার আগ মুহূর্তে এই দ্রুপদী লড়াইটাকে ঘিরে পুরো রিও ডি জেনেরিওতে ছিল চাপা উত্তেজনা। প্রস্তুত ছিল মারাকানা। গ্যালারি ভরা ৭৩ হাজার পাঁচশ দর্শকের সামনে কিংবদন্তী ম্যারাডোনার সমকক্ষ হতে তখন আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা দূরে অবস্থান করছিলেন এই মহাতারকা। ম্যাচের ফল আর্জেন্টিনার পক্ষে গিয়ে থাকলে এতক্ষণে ‘অমরত্ব’ লাভ করে ফেলেছেন টানা চারবার ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসি। শিরোপার চূড়ান্ত লড়াইটাকে সামনে রেখে ফেসবুক আর্জেন্টাইন তারকা লেখেন, ‘প্রথম ম্যাচ থেকেই একটি দলের কঠিন পরিশ্রম এবং ত্যাগের কারণে আমার স্বপ্ন ও আশা পূর্ণ হতে যাচ্ছে।’ মেসি আরো বলেছেন, ‘আমরা জানতাম এটা সম্ভব। আমাদের জনগণ, দলটাকে এখানে নিয়ে এসেছে। যদিও স্বপ্ন এখনো পূরণ হয়নি। ফাইনাল ম্যাচটা আমরা জিততে চাই। এ জন্য আমরা প্রস্তুত।’ মেসির দল যখন চূড়ান্ত লড়াইয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা দূরে, তখন এক লাখের মতো আর্জেন্টাইন রিও ডি জেনেরিওতে জড়ো হয়েছিল। পুরো শহরটাই যেন দখল করে নিয়েছিল ফুটবলপাগল আর্জেন্টাইনরা। ১৯৮৬ সালের পর আর্জেন্টাইনদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাদ এনে দিতে ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে শীষ্যদের যথাযথ খেলার আহ্বান জানিয়েছিলেন কোচ আলেসান্দে া সাবেলা, ‘শারীরিকভাবে এবং কৌশলের দিক থেকে জার্মানি সবসময়ই শক্তিশালী একটি দল। এই কারণেই ব্রাজিল এবং ইতালির পর তারাই সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ জিতেছে। সবদিক থেকেই তারা শক্তিশালী একটি দল। তাদের হারাতে হলে অবশ্যই যথাযথ একটি ম্যাচ খেলতে হবে।’ এর আগে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা-পশ্চিম জার্মানি। মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে জার্মানদের ৩-২ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল দিয়েগো ম্যারাডোনারা। এবারের ফাইনালেও ওই আসরের সঙ্গে মিল দেখছেন সাবেলা, ‘এটা সত্যি যে, ওই ফাইনালের সঙ্গে এবারেরটারও সুনির্দিষ্ট কিছু মিল রয়েছে। শক্তিশালী এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ওই ফাইনালের দৃশ্যই আমরা পুনরাবৃত্তি করতে চাই।’