দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা?
নগরীতে ট্রেনের ধাক্কায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ইসরাত আরেফিনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ক্যাম্পাসের চারুকলা সংলগ্ন রেললাইনে সোমবার সকাল ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এদিকে ইসরাতের মৃত্যু প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা—এ নিয়ে তার পরিচিত মহলে জল্পনা-কল্পনা চলছে। তার বাড়ি নাটোরে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইসরাত মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেললাইনের উপর দিয়ে হেঁটে ভদ্রার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় পার্বতীপুর থেকে রাজশাহীতে আসা উত্তরা এক্সপ্রেস ট্রেন তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে রেললাইন থেকে ছিটকে পড়ে তিনি মাথায় ও কোমরে গুরুতর আঘাত পান। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিত্সা কেন্দ্রে এবং পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের কর্তব্যরত চিকিত্সক দুপুর দেড়টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, ওই ছাত্রীর গতিবিধি দেখে মনে হচ্ছিল তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন। কারণ আশেপাশের অনেকে চিত্কার করে তাকে সতর্ক করার চেষ্টা করলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের দাবি, প্রেমিকের সাথে তার মান-অভিমান চলছিল। তবে তারা প্রেমিকের পরিচয় প্রকাশে অস্বীকৃতি জানান। তারা ধারণা করছেন, প্রেমজনিত কারণেই ইসরাত আত্মহত্যা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান সজল বলেন, কীভাবে তার মৃত্যু হলো তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ঘটনা তদন্তের পর এ বিষয়ে বলা যাবে।
