বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার ভাঙনে জলবায়ু ফান্ডের অর্থায়নে নবনির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকিতে পড়েছে। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। জানা গেছে, বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ দশমিক ৭০ কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মাণ করে। বাঁধটি নির্মাণ শেষ হওয়ার পরেই নদী ভাঙনের কবলে পড়ে। নদী ভাঙনে চন্দনবাইশা এলাকার আদবাড়িয়া, কামালপুর ইউপির রৌহাদহ এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নিকট নদী আসায় বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হলে বন্যার পানি প্রবেশ করে হাজার হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মানুষের জানমাল ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট। বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাছুদুর রহমান হিরু মণ্ডল, পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান খান নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিকে নদী ভাঙন রোধে পাউবো বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে চলেছে। বাঁধের উপর আশ্রয় নেয়া ৩ শতাধিক পরিবার বাড়িঘর স্থানান্তর নিয়ে রোজার মাসে চরম বিপাকে পড়েছে। তারা ঠিকমত রান্না-বান্নার অভাবে সেহেরী ইফতার খেতে পারছে না। দুর্গত এলাকা পরিদর্শন কালে বাঁধে আশ্রিত পরিবারগুলোর বিশুদ্ধ পানীয়জলের জন্য এমপি তার নিজস্ব তহবিল থেকে ২০টি টিউবওয়েল ৩০টি সেনেটারী ল্যাট্রিন প্রদান করেছেন।
