দুই নদীতে সীমানা পিলার স্থাপনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২১:৫৫
বর্ষা মৌসুমে তুরাগ ও বালু নদীতে সীমানা পিলার স্থাপনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন দায়ের করা হয়েছে। এতে সাত দিনের মধ্যে নদীর প্রকৃত সীমানায় পিলার স্থাপনের কর্যক্রম শুরুর আবেদন জানানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঢাকার চারপাশে বহমান বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী রক্ষায় ঐতিহাসিক রায় দেয় হাইকোর্ট। ঐ রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ। রায়ে সিএস ও আরএস মানচিত্র অনুসারে ২০০৯ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এই চার নদীতে সীমানা জরিপ করতে বলা হয়েছিল। এই রায়ের ভিত্তিতে বুড়িগঙ্গায় সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ হয়েছে। শীতলক্ষ্যায় কাজ চলছে। তুরাগ ও বালু নদীতে কাজ শুরু হলেও প্রকৃত সীমানায় পিলার স্থাপন না করায় জনদাবির মুখে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর দুই বছরেও সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ পুনরায় শুরু না করায় নদীর অনেক জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে গেছে। ফলে নদীর সীমানায় বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করে অস্থায়ী দখল চলছে। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। আবেদনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক, বিআইডব্লিউটিএ মহাপরিচালক, জরিপ বিভাগের প্রতি সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ শুরুর জন্য আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট চার নদী রক্ষায় এই রায় দিয়েছিলো। এই রায় দিয়ে রিট মামলাটি চলমান হিসেবে রাখে আদালত। ঐ রিটের আওতায় নতুন করে এই আবেদন করেছে মানবাধিকার সংস্থাটি।