পুঠিয়ায় গোলাপী বেওয়া কবে পাবেন বিধবা ভাতা

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৪, ২০:৩৭
উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের গোলাপী বেওয়া (৭৫)। বয়সের ভারে এখন নুব্জ। স্বামীর মৃত্যুর বাইশ বছরেও কপালে জোটেনি তার বিধবা ভাতার কার্ড। সোজা হয়ে চলতে পারে না গোলাপী। লাঠিতে ভর করে চলে। তাই এ বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি করতে হয় তাকে। গোলাপী বেওয়া (৭৫) শুক্রবার পুঠিয়া পৌরসভা সদরে আসেন ভিক্ষাবৃত্তি করতে। কথা হয় এই প্রতিবেদকের সাথে। কপালে দুঃখ নিয়েই জন্ম তার উপজেলার বানেশ্বরে বাবার বাড়িতে। বয়স হতে না হতেই বাবা-মা বিয়ে দেন গোলাপীর উপজেলা ধোপাপাড়া গ্রামে। স্বামী শিবু তখন কামলা খাটেন অন্যের বাড়ি। তাতেই মনের আনন্দে তাদের দিন চলে যেতে থাকে। ঘরে এক এক করে ২ ছেলে ২ মেয়ে জন্ম নেয়। বড় করে তাদের বিয়েও দেন। ছেলে দুটি তখন দিনমজুর। গোলাপীর কপাল পুড়ে ২২ বছর পূর্বে স্বামীর মৃত্যুতে। কিছুদিন যেতে না যেতেই ছেলে বৌয়ের সংসারে ভাত জোটেনি তার। বয়সের ভারে গোলাপী এখন মাজা সোজা করে দাঁড়াতে পারে না। উপুড় হয়ে পথ চলেন লাঠিতে ভর করে। জানান, এলাকার মেম্বরের নিকট বিধবা ভাতার জন্য ধর্না দিয়ে কাজ হয়নি। গেছেন বাড়ির পাশে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যানের কাছে। কিন্তু আজ অবধি কপালে জোটেনি তার বিধবা ভাতার কার্ড।