ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় সাভারে ব্যবসায়ী হয়রানি!

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৪, ২১:৪০
কোন অপরাধ না করেও সাভারে এক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সাভার থানা পুলিশ ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে তার বাসায় তাকে গ্রেফতারের জন্য হানা দিচ্ছে। বর্তমানে ওই ব্যবসায়ী গ্রেফতার আতংকে ভুগছেন। পরবর্তী সময়ে ওই ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করলে গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ভুয়া প্রমাণিত হয়। ওই ব্যবসায়ী হচ্ছেন সাভার পৌরসভাধীন দিলখুশাবাগ মহল্লার বাসিন্দা পোশাক কারখানার পদস্থ কর্মকর্তা মোঃ আজাহার উদ্দিন। সাভার থানা সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থানায় ১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১) এবং ৭ (ক) মামলা নং-২৯(৯)১২ দায়ের হয়। ঐ মামলার একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কক্সবাজারের মাধ্যমে সাভার থানায় আসে। এ মামলায় ব্যবসায়ী আজাহার উদ্দিনকে আসামি দেখানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে পুলিশ গত ২ দিন পূর্বে আজাহার উদ্দিনকে গ্রেফতারের জন্য তার বাসায় যায়। এ ঘটনা শুনে ব্যবসায়ী আজাহার উদ্দিন ছুটে যান কক্সবাজার থানায়। তিনি কক্সবাজার থানা থেকে সংশ্লিষ্ট তারিখের মামলার নথিপত্র সংগ্রহ করেন। নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় কক্সবাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্র কক্সবাজারের এএসআই মোঃ ফারুক। মামলাটি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালনায় গুরুতর আহত এবং ভাঙচুর করার অপরাধ সংক্রান্ত। কক্সবাজার থানা পুলিশ জানায়, উক্ত মামলায় ২টি গাড়ির অজ্ঞাত নামা চালককে আসামি করা হয়েছে । সাভার থানার ওসি (তদন্ত) দীপক কুমার সাহা বলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা জাল বা ভুয়া হলে তা নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, একটি চক্র আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা হুবহু নকল করে প্রতিপক্ষকে হয়রানির জন্য থানায় প্রেরণ করে থাকে।