ইনফিনিটি

নান্দনিক ডিজাইনের পোশাকের সমাহার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৪, ২০:০১
দেশীয় পোশাকের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে ইনফিনিটি স্বকীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। বরাবরই ক্রেতাদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে চলা ব্র্যান্ডটি নিয়ে আমাদের এবারের স্টাইলশপ। লিখেছেন নওশীন শর্মিলী সময়কে ধরতে প্রতিটি ফ্যাশন হাউস নিজেদের ডিজাইনে আনছেন নতুনত্ব। আর নিত্য নতুন ডিজাইন দিয়েই তারা ক্রেতাদের মন জয় করছেন অনায়াসেই। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ফ্যাশন হাউস ইনফিনিটি পোশাক শিল্পে নিজেদের স্বাতন্ত্র্য অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। নান্দনিক সব ডিজাইনের পোশাক দিয়েই তারা জয় করেছে ক্রেতাদের মনও। তাই এবারের ঈদে ক্রেতাদের জন্য ইনফিনিটির প্রস্তুতিটাও ব্যাপক। ফ্যাশন হাউস ইনফিনিটি যাত্রা শুরু করে ২০০৯ সালে নগরীর অভিজাত শপিং সেন্টার বসুন্ধরা সিটির লেভেল ৭-এ। হায়ার ক্লাস ও মিডল হায়ার ক্লাস ক্রেতাদের কথা চিন্তা করেই তারা পোশাক তৈরি করেন। ফ্যাশনেবল পোশাক পরতে আগ্রহী ক্রেতারা তাই ইনফিনিটির প্রোডাক্টকেই বেছে নেন। ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে ইনফিনিটি ঢাকা এবং সিলেটে মোট আটটি নান্দনিক শোরুমের যাত্রা শুরু করে। বসুন্ধারা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, উত্তরা, ওয়ারী, বেইলীরোড, মোহাম্মদপুর ও সিলেটে শোরুমগুলোর অবস্থান। রাজধানীর মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে গত ২৮ জানুয়ারি ইনফিনিটি শপিং মল উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মডেল আদিল হোসেন নোবেল, কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জুনাইদ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজমুল হক খান ও নাইমুল হক খান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি। ব্যবসায় সততা এবং নিষ্ঠার প্রতিফলন ব্যবসাকে তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে নিয়ে যায়। তাই ঢাকার ছাড়িয়ে ইনফিনিটি ছড়িয়ে গেছে সিলেটেও। সিলেটের নারী-পুরুষ ও শিশুদের সকল প্রকার পণ্য সরবরাহ ও তাদের চাহিদা পূরণে ইনফিনিটি এই যাত্রা শুরু করে। আর এজন্য দেশের পূর্ণাঙ্গ মেগা মল ইনফিনিটির তৃতীয় শাখা গড়ে তোলা হয় সিলেট সিটি সেন্টারে। এ প্রসঙ্গে ইনফিনিটি মেগা মলের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজমুল নাজমুল হক খাঁন বলেন, সিলেটের মানুষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এ মেগা মল সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সক্ষম হবে। উল্লেখ্য, সিলেটে সিটি সেন্টারের চতুর্থ তলায় ১০ হাজার বর্গফুটের নির্মিতব্য মেগা মলটি দেশের বৃহত্তম এবং ইনফিনিটির তৃতীয় শাখা। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সিটি এবং উত্তরায় আরও দু’টি শাখা রয়েছে। অচিরেই এ মেগা মলটি ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছে। এতে পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য সবধরনের পণ্য থাকবে। পরিবারের যাবতীয় সব কিছু—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে উত্তরার মেগা মলটি। এখানে পরিবারের সবার জন্য পাওয়া যায় পোশাক ও অনুষঙ্গ। সেইসাথে রয়েছে লাইফস্টাইলের নানা পণ্য। ইনফিনিটি মেগা মলগুলোর ইন্টেরিয়র ডিজাইনও অনেক সুন্দর। প্রতিটি পণ্য নান্দনিকভাবে সাজানো বলা যায়। তাই একজন ক্রেতা তার প্রয়োজন অনুযায়ী সব কিছু কিনতে পাবেন এখানে। পরিবারের যাবতীয় সব কিছু এখানে পাওয়া যায় বলে ক্রেতা সমাগম বেশ ভালো। আর নান্দনিক ডিজাইনের পোশাক ও লাইফস্টাইলের মানসম্পন্ন পণ্যের জন্য উত্তরার সব শ্রেণীর ক্রেতাদের কাছেই এটি অল্প সময়েই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দুইটি ফ্লোরের এই মেগা মলের প্রথম ফ্লোরে রয়েছে শিশুদের পোশাক, কসমেটিকস, সুগন্ধি, ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, রিল্যাক্স ওয়্যার, স্পোর্টস ওয়্যার, চশমা, ঘড়ি এবং পাঞ্জাবি। আর দ্বিতীয় ফ্লোরে রয়েছে জুতা, লেডিস ওয়্যার, হোম হোল্ড সামগ্রী, লেডিস ব্যাগ, গিফট আইটেম, বাচ্চাদের পুতুল ও খেলনা, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী, হোমটেক্স সামগ্রী, চকলেট, লাগেজ ও আরও নানা পণ্য। ইনফিনিটিতে পাওয়া যাচ্ছে থ্রিপিস ২৫০০-৭৫০০ টাকা, শার্ট ১৩৫০-৩০০০ টাকা, পাঞ্জাবি ১৫০০-১০০০০ টাকার মধ্যে। ইনফিনিটির পরিচালক ও প্রধান ফ্যাশন ডিজাইনার নাইমুল হক খান বলেন, ‘বসুন্ধরা সিটির লেবেল ৭-এ প্রথম ইনফিনিটি মেগা মলের ধারাবাহিক সফলতা ও জনপ্রিয়তার পর বিশ্বমানের মেগা মলের সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন ইনফিনিটির অন্যান্য শোরুমগুলোতেও ক্রেতাসাধারণের চাহিদা পূরণ করে যাবে। আমরা সব সময় বর্তমান ট্রেন্ডকে ফলো করে পোশাক ডিজাইন করি। আমাদের ক্রেতাদের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে থাকেন তাই ওয়ার্ল্ডওয়াইড চিন্তা করে আমাদের পোশাকগুলো তৈরি করা হয়। ফেব্রিকসের বিষয়েও আমরা অনেক যত্নবান। ঈদ ও অন্যান্য উত্সবে উত্তরায় একই ছাদের নিচে একই সাথে পরিবারের সকলের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যাবে বিধায় এখানে ক্রেতাসাধারণও স্বল্প সময়ে যানজট এড়িয়ে তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে পারবেন।’