ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের (চলতি দায়িত্ব) হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক সহকারী শিক্ষিকা। নূরপুর পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুলন রানী রায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষিকা দুলন রানী রায় তার স্বর্গীয় কাকার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের কার্ড বিতরণ করতে অফিসকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষা অফিসারের টেবিলে রাখার পরপরই তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। এসময় নূরপুর ও পাটানিশার গ্রামের যথাক্রমে বশির আহমেদ হেলাল ও দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে অজ্ঞাত কারণে সহকারী শিক্ষিকা দুলন রানী রায়কে বেয়াদব, পাগল, ছাগল ইত্যাদি গালাগাল দিয়ে তাকে অফিস থেকে বের হয়ে যাবার নির্দেশ দেন। এতে তিনি মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। প্র্রতিকার চেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে লিখিত অবহিত করেছেন। বিষয়টি অবগত করে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মত্স্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী, নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট বিচার প্রার্থী হয়েছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হেমায়েতুল ফারুক ভূইয়া শিক্ষিকার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, দুলন রানী রায় আমার অধীনস্থ একজন শিক্ষক। তিনি আমার কক্ষে প্রবেশ করে আমার নাম জানতে চায়। এজন্যই তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
