যতই বলি অফুরন্ত সবুজ
তবু চারপাশে কিভাবে যেন ভর করে পাতাহীন মরাটে ডালপালা
নীরব দ্রোহের মতো
ভাঁজ হয়ে যায় ভাঙনের কোলাজ, থেঁতলানো অস্তিত্ব।
যা কিছু প্রচল, গেড়ে বসা অন্ধকার , তা ভাঙবার শপথ নিয়েছিলাম
কিন্তু কিছুই ভাঙতে পারিনি
প্রতিরোধহীন সূর্যের আলোয় আমাদের আঙুল এগিয়ে গিয়েছিল
আরো আরো আঙুলের দিকে
গিঁটভাঙা সেইসব আঙুলে এখন রাজ্যের স্থবিরতা।
যদিও জানতাম পর্বতেরা জাগবে গভীর শিলাখণ্ডের ভেতর
বিধ্বস্ত জনপদ থেকে একদা মাথা তুলবেই অপ্রতিরোধ্য জনপদ
তবু দূর প্রতীক্ষার মতো আমাদের প্রতীক্ষা শেষ হয় না
প্রহারের পর প্রহার আর প্রলয়ের পর প্রলয়ে আমরা কেঁপে কেঁপে উঠি।
প্রতিরোধ কি প্রতিবাদ ঘেয়ো কুকুরের মতো লেজ গুটিয়ে থাকে
কেন্নো কি কেঁচোর মতো হামা দেয় শুধুই অন্ধকারের দিকে
চারদিকে কুড়ুলে হাত
হানা দিচ্ছে আলোছায়াময় হরিণ চত্বরে।
কোনো এক বিসুভিয়াসের প্রতীক্ষায় আমাদের সময় যায়
আমাদের সময় যায় অন্ধকারের ভেতরে আলো খোঁজার প্রতীক্ষায়।
