৬ হাজার পুলিশ মোতায়েন
আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট বিভাগ জুড়ে নেয়া হয়েছে তিন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সিলেটের চার জেলায় চার হাজার ও সিটি কর্পোরেশনে দু’হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে নিরাপত্তার জন্য। বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা ও সাদা পোশাকেও টহল দেবে। সিলেটের পুলিশ বিভাগ বিশেষ করে ঈদের পর বিরোধী দলের ডাকা আন্দোলন কর্মসূচিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে- পুলিশের বিভিন্ন সূত্রের সাথে কথা বলে এমনি ধারণা পাওয়া যায়। সিলেট রেঞ্জের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সবদিক মাথায় রেখে সিলেট বিভাগের নিরাপত্তা ঢেলে সাজানো হয়েছে। তাছাড়া সরকারি-বেসরকারি সম্পদ ও জানমালের নিরাপত্তা দেয়া পুলিশের দায়িত্ব। অতএব যেকোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে পুলিশকে সতর্ক রাখা হয়েছে।
সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাখাওয়াত হোসেন গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, প্রবাসীদের নিরাপত্তা, ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে নিরাপত্তার সাথে গন্তব্যে পৌঁছানোসহ বিভিন্ন কাজে পুলিশ সহায়তা দেবে। তিনি আরো জানান, সিলেটের চার জেলা সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটে মোট চার হাজার পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ঈদ ও ঈদ পরবর্তী ছুটিকালীন সময়ে ডাকাতি, ছিনতাই, সড়ক ডাকাতি, মলম পার্টিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ-কর্ম ঠেকাতে সিলেট রেঞ্জের পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে। ঈদের দিন ঈদগাহের মাঠে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একইভাবে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর বিশেষ নিরাপত্তায় ২ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত করেছে। অন্যদিকে অপরাধী শনাক্ত করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পয়েন্ট পর্যন্ত ১২টি সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে। নগরীর ২৮টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পুলিশের ৩৫টি টিম নগরীতে কাজ করছে। গোয়েন্দা শাখার সাথে বিশেষ শাখার সদস্যরাও মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন একজন ঊর্ধ্বতন গোয়েন্দা তত্পরতা।
