কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কে ঈদের টানা ছুটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটক-দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত তিনদিনে পার্কে গড়ে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যটক সমাগম হয়েছে। এতে পার্কের আয় হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা।
সাফারি পার্কের বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, পার্কে পর্যটক-দর্শনার্থীদের মাঝে বিনোদন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে পার্ককে ঢেলে সাজানো হয়েছে। সংগ্রহ করা হয়েছে দুর্লভ প্রজাতির দেশি-বিদেশি গাছপালা, পশুপাখি।
সাফারি পার্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নূরুল হুদা বলেন, পার্কে ভ্রমণে এসে পর্যটক-দর্শনার্থীরা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তু দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, গয়াল, চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, হাতি, মিঠা পানির কুমির, নোনা পানির কুমির, হনুমান, বানর, অজগর সাপ এবং ময়ুরসহ হরেক প্রজাতির পাখী রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পার্কের দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্পট, বেষ্টনীর ভেতর বিচরণরত বন্যপ্রাণীগুলো দর্শনার্থীরা পায়ে হেঁটে কিংবা পার্কের যানবাহন যোগে দেখতে পাচ্ছেন। সুউচ্চ টাওয়ারে উঠে পুরো পার্কের মনোরম দৃশ্য দেখছেন ভ্রমণ পিপাসুরা।
২০০৯ সালে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বগাচত্বর এলাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কটি প্রতিষ্ঠা করে সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। ওইসময় পার্ক ঘোষণার পর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনে দেশ-বিদেশ থেকে শত প্রজাতির প্রাণী সংগ্রহ করে এটিকে পূর্ণাঙ্গ সাফারি পার্ক হিসেবে গড়ে তোলে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
