ভৈরবের হাজী আসমত কলেজ ৬৮ বছরেও সরকারি হয়নি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৪, ২২:৪২
ভৈরবে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ হাজী আসমত কলেজটি অনেক দাবির পরও আজ পর্যন্ত সরকারি হয়নি। ব্রিটিশ শাসনামলে ভৈরবসহ কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রসারের কথা চিন্তা করেই ১৯৪৭ সালের প্রথম দিকে ভৈরবের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আসমত আলী কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সহায়তায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি নিয়ে স্থাপন করেন এ কলেজটি। এ কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তদানীন্তন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। কলেজের বয়স ৬৮ বছর পূর্ণ হলো এ বছরেই। প্রতিষ্ঠার পর দেশের অনেক পরিবর্তন হলো। পতাকার পরিবর্তন হলো, মানচিত্রের পরিবর্তন হলো। পরিবর্তন হলো না শুধু ভৈরব হাজী আসমত কলেজের ভাগ্যের। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই কলেজটিকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে একটি সুন্দর মনোরম স্থানে। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে কলেজটিতে অনার্স কোর্স চালু করা হলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পায়। ফলে শিক্ষক, স্টাফ ও শ্রেণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ৫৫ জন শিক্ষক ও ২০ জন কর্মচারীসহ ৭৫ জন স্টাফ রয়েছে। ডিগ্রি কোর্সে ফ্যাকাল্টি রয়েছে ৪টি ও অনার্সে রয়েছে ৭টি ফ্যাকাল্টি। ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফলও ভাল। কিন্তু কলেজটির সমস্যা রয়েছে অনেক। অর্থনৈতিক দৈন্যদশা বিরাজ করছে সবচেয়ে বেশি। কলেজটিকে সরকারিকরণে দাবি উঠেছে দীর্ঘদিন যাবত্। এ দাবি এখন ভৈরববাসী ও কলেজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রাণের দাবি।