ঈদের ছুটিতে সিলেটের জাফলংয়ে বেড়াতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। নিহত তিনজনের পরিবার ও স্বজনদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। কেউ তাদের একমাত্র সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায়, কেউ বা মেনে নিতে পারছেন না তাদের আদরের দুলাল আর কোন দিন তাদের কাছে ফিরবে না। নিহত তিনজনের মধ্যে উপজেলার মোকতার মিয়ার একমাত্র পুত্র মামুন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী। নিহত শাকিল ছিল তিন ভাই-দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। সে বিষামনি এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। নিহত সাদেক ছিল ৯ ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট। সে ডুলুছড়া এলাকার রহিম মিয়ার ছেলে।তারা দুজনই বিষামনি উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়তো।গত বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটিতে শ্রীমঙ্গল থেকে একটি বাস নিয়ে ৩১ জনের একটি পর্যটক দল সিলেটের জাফলংয়ে বেড়াতে যায়।গত শুক্রবার আড়াইটায় জাফলং খাসিয়াপুঞ্জি থেকে একটি নৌকাযোগে বল্লা ঘাট ফেরার পথে ১০/১২ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পিয়াইন নদীতে ডুবে যায়। এ সময় নৌকাতে থাকা অন্য যাত্রীরা সাঁতার কেটে তীরে উঠলেও ওই তিনজন পানিতে তলিয়ে যায়। গতকাল সকালে নিহত শাকিলের লাশ নিয়ে আসা হয় তার শ্রীমঙ্গল বিষামনি স্কুল মাঠে। তাদেরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ তার সহপাঠিরাও। সেখানে তাকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন শত শত মানুষ।
