বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দেশের জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাবশালী মাধ্যম। একটি উন্নত অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থানকে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান পুঁজিবাজারের অবস্থা বিনিয়োগকারীগণের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হয়েছে চীনের শীর্ষস্থানীয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সঞ্জে। চীনের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সাথে যুক্ত হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অগ্রগতির জন্য বড় ধরনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পণ্যের বৈচিত্র্যতা আনয়নে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খুব শীঘ্রই পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনের প্রতিষ্ঠানসমূহের অর্থায়ন ও তালিকাভুক্তির জন্য স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম চালু করা হবে। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘এআইইউবি ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বিজনেস এন্ড ম্যানেজমেন্ট-২০১৮’ শীর্ষক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান এসব কথা বলেন।
এআইইউবির ফ্যাকাল্টি অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর ডিন ড. চার্লিস সি. ভিল্লানুয়েভার সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার এবং এআইইউবির ভাইস চ্যান্সেলর ড. কারমেন জেড. লামাগনা। মাজেদুর রহমান আরো বলেন, গত পাঁচ বছরে পুঁজিবাজার অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। বিএসইসি আইএসকো এর ‘এ’ ক্যাটাগরি সদস্য হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ইতোমধ্যে অর্জন করেছে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন্স অফ এক্সচেঞ্জেস এর সদস্যপদ, জাতিসংঘের সাসটেইনেবল স্টক এক্সচেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ এর অংশীদারিত্ব এক্সচেঞ্জ অর্জন এবং সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জ এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি গঠন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন/বিধির প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারে নতুন প্রোডাক্ট লেনদেনের পথ সুগম হবে, যা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে তিনি মনে করেন।
