যশোরে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের অবরোধের কারণে ৫ ঘণ্টা বন্ধ ছিল যশোর-বেনাপোল ও যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের যান চলাচল। শ্রমিক লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে এবং অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে রবিবার দুপুরে শ্রমিকরা এ অবরোধ করেন। দুপুর ১টা থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধ চলে বিকাল ৬টা পর্যন্ত। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের আলোচনার প্রেক্ষিতে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জানান, রবিবার সকালে বেনাপোলে থ্রি-হুইলার চালকদের হাতে লাঞ্ছিত হন সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সদস্য জাহাঙ্গীর আলম তোতা। এই লাঞ্ছনার প্রতিবাদে এবং সড়ক থেকে অবৈধ যান সরিয়ে দেয়ার দাবিতে রবিবার রাস্তা অবরোধ করা হয়। বেনাপোল, শার্শা, নাভারণ, ঝিকরগাছা ও চাঁচড়াসহ বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রেখে যশোর-বেনাপোল সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
৫ ঘণ্টা অবরোধে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন কয়েক হাজার সাধারণ যাত্রী। বিশেষ করে বেনাপোল সীমান্ত হয়ে ভারত থেকে আসা যাত্রীরা অবরোধে আটকা পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধে আটকা পড়া ঝিকরগাছার শিক্ষক জহিরুল ইসলাম জানান, তিনি চাঁচড়া মোড়ে প্রায় ৪ ঘণ্টা আটকা পড়েন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম জানান, বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সব পক্ষের উপস্থিতিতে বৈঠক শেষে অবরোধ তুলে নেয়া হয়। শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জুল হোসেন জানান, আগামী শুক্রবার সব পক্ষের উপস্থিতিতে বৈঠক করে পুরো বিষয়টির সমাধান করা হবে এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে অবরোধ তুলে দেয়া হয়েছে।
