ছোট ফেনী নদীর ভাঙ্গনে ১২০ কি.মি রাস্তাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ ও বাড়ি বিলীন

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৪, ২০:৩৯
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে ছোট ফেনী নদীর প্রবল জোয়ারের ভাটায় ১২০ কিলোমিটার এলাকায় সপ্তাহজুড়ে দু’হাজার বাড়ি, মসজিদ, কিল্লা, মাদরাসা ও মত্স্য খামারসহ কয়েক হাজার একর ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে ভাঙ্গনকবলিত এলাকার দরিদ্র কৃষকদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ফসলী জমি ও মত্স্য প্রকল্প হারিয়ে তারা ভূমিহীন হয়ে অসহায় হয়ে পড়ছে। এ অসহায় পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোন ত্রাণ পৌঁছেনি। নদীর তীরবর্তী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত দিদার আলম টিপু জানান, নদীর ভাঙ্গন এভাবে অব্যাহত থাকলে কিছু দিনের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জের বেশিরভাগ অংশ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজুল হাসান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো:সিরাজুল ইসলাম ও শাখা কর্মকর্তা আবু নাছের জানান, সংশোধিত ডিজাইন করে পুনরায় আগামী বছর কাজ করা হবে। মুছাপুর রেগুলেটর চালু না হলে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকবে। নির্বাহী প্রকৌশলী আরো জানান, আমরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দের জন্য বার বার আবেদন করেছি। বরাদ্দ এলে আমরা ভাঙ্গনকবলিত এলাকা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর এর ক্লোজার ক্লোজ না করা পর্যন্ত জোয়ার ভাটায় ভাঙ্গন অব্যাহত থাকবে। যদি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জরুরী পদক্ষেপ না নেয় তাহলে কোম্পানীগঞ্জের উপকূলীয় এলাকার কয়েক হাজার একর ভূমি, বসতবাড়ি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, বাজার, বিভিন্ন মত্স্য ও পোল্ট্রি খামার এ বর্ষার মৌসুমে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।