২৭ আগস্ট হজ্ব ফ্লাইট শুরু

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৪, ২২:৩১
হজ্ব ফ্লাইট আগামী ২৭ আগস্ট শুরু হচ্ছে। চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ফিরতি ফ্লাইট ৮ অক্টোবর শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ নভেম্বর। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে হজ্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে ধর্ম সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান সাংবাদিকদের আরো বলেন, এবার মোট ৯৮ হাজার ৭৬২ জন হজ্বে যাচ্ছেন। এরমধ্যে এক হাজার ৬শ জন যাবেন সরকারি ব্যবস্থাপনায়। অন্যরা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন। এবার সফলভাবেই হজ্ব কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে সচিব বলেন, এবার সার্বিক বিষয় বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি নেই। যেসব সমস্যা ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে। বাবুল হাসান বলেন, গত বছর টাকা জমা দিয়েও হজ্ব এজেন্সির প্রতারণায় যারা হজ্বে যেতে পারেননি আমরা তাদের টাকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছি। এটা নিয়ে অনেক মিটিং করেছি। আশা করছি- প্রতারিত সবাই এবার হজ্বে যেতে পারবেন। তবে তাদের এক লাখ ২০ হাজার টাকা প্লেন ভাড়া দিতে হবে। বাকি টাকা সরকার দেবে। ইতিমধ্যে ১২৪ জন ভাড়া জমা দিয়েছেন। প্রতারিত ১৪১ জনের মধ্যে কয়েকজন মারা গেছেন, কয়েকজন যাবেন না বলেও জানান তিনি। ২০১৩ সালে হজ্ব এয়ার সার্ভিস নামে একটি হজ্ব এজেন্সি ১৪১ জন হজ্বযাত্রীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে হজ্বে পাঠায়নি। পরে এ হজ্ব এজেন্সির নামে মামলা হয়, কিছু টাকাও উদ্ধার করা সম্ভব হয়। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুইটি প্যাকেজের মাধ্যমে হজ্ব পালনের বিধান রাখা হয়েছে এবার। এবার প্যাকেজ-১-এর মাধ্যমে হজ্ব পালনে লাগবে তিন লাখ ৫৪ হাজার ৩১৬ টাকা। অপরদিকে সাশ্রয়ী প্যাকেজ-২-এর মাধ্যমে দুই লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা লাগবে। তবে দুইটি প্যাকেজেই কোরবানির জন্য আলাদা ১০ হাজার ৫০০ টাকা (৫০০ রিয়াল) নিতে হবে। এবারও হজ্ব সামনে রেখে এজেন্সিগুলোর প্রতারণার আশঙ্কা করছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুল হোসেন বলেন, একেবারে হবে না এমনটা বলছি না। তবে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু হবে না। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৪ অক্টোবর (৯ যিলহজ্ব ১৪৩৫ হিজরী) এ বছরের পবিত্র হজ্ব অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য বছরের মতো এবার হজ্বযাত্রীরা বিমানের সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়ার আশঙ্কা আছে কিনা একজন সাংবাদিক জানতে চাইলে সচিব বলেন, ফ্লাইট স্বল্পতা নেই, তাই আশা করছি- এবার গতানুগতিক এ সমস্যাটি হবে না। টিকিট কালোবাজারি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি। সৌদি আরবে মার্স ভাইরাসের কারণে হজ্বযাত্রীদের প্রস্তুতির বিষয়ে সচিব বলেন, এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক নেই। তাই যতটুকু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার তা আমরা নেব। মঙ্গলবার থেকে ঢাকায় ছয়টি ও ঢাকার বাইরে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।