ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীনই তিনি শিশুদের প্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুরের ইকরির কণ্ঠ দেন। এরপর হঠাত্ করেই জড়িয়ে পড়েন মিডিয়াতে। শুরু করেন মডেলিং এবং অভিনয়। নিজের অভিনয় প্রতিভা দেখিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দর্শক হূদয়ে স্থান করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য জানাচ্ছেন আহসান রনি
কাজী নওশাবা আহমেদ
ডাকনাম :টুমনি
জন্মতারিখ :৮ মে
পড়াশোনা :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগ
অনুপ্রেরণা :আমি কোনো মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা পাই না। নিজের স্বপ্নই আমার অনুপ্রেরণা।
প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :সিসিমপুরের ইকরির ভূমিকায় আমি অভিনয় করি। কিন্তু সেটি ক্যামেরার সামনে নয়, ক্যামেরার পেছনে।
অভিনেত্রী না হলে যা হতেন :পশুপাখি আমার খুবই প্রিয়। তাই হয়তো চিড়িয়াখানায় কোনো চাকরি করতাম!
আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :ভালো মানুষ
সম্প্রতি দেখা চলচ্চিত্র :বুক থিফ (ইংরেজি), নিঃস্বার্থ ভালোবাসা (বাংলা), শাদি কি সাইড এফেক্ট (হিন্দি)
বারবার শোনা গান :‘মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি’
যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :লেবাননের লেখক কাহলিন জিবরানের রচনা সমগ্র ও রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প।
ফাস্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :ফাস্টফুডে খাওয়া আমার সেরকম পছন্দ না। তবে কখনও গেলে পিত্জা।
আড্ডার সময় বিষয়গুলো :আমার কিছু ছোট বন্ধু আছে। আমি তাদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। তাদের সাথে আড্ডার সময় তাদের নানা মজার ঘটনা শুনি এবং তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখি।
যেখানে বারবার যেতে ইচ্ছা করে :বান্দরবান এবং যেকোনো হিল স্টেশন।
স্মরণীয় স্মৃতি :পর্দার পেছনে হলেও সিসিমপুরে ইকরির ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য নির্বাচিত হলাম তখন আমি সবচেয়ে খুশি হয়েছিলাম। পরবর্তীতে ইকরি হিসেবে অভিনয় করতে গিয়ে আমি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি।
