প্রিয়াঙ্কা শিগগিরই রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৪, ২২:৪৪
ভারতের কংগ্রেস দল জানিয়েছে, কংগ্রেস চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী তনয়া প্রিয়াঙ্কা গান্ধী শিগগরিই রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার দলের মুখপাত্র শোভা ওজা এ তথ্য জানান। কিন্তু এর একদনি পরই গতকাল শুক্রবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী জানান, এই ধরনের তথ্য ভিত্তিহীন এবং অনুমানমূলক। শোভা ওজা জানান, দলের নেতা-কর্মীরা চান গান্ধী পরিবারের সবাই রাজনীতিতে সক্রিয় হোন। তারা সবাই দলের নেতৃত্বে থাকুন। উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ শহরের দেয়ালে সমপ্রতি একটি পোস্টার দেখা যায়। তাতে লেখা ছিল ‘কংগ্রেস কা মুন, প্রিয়াঙ্কা ইজ কামিং সুন।’ অর্থাত্ কংগ্রেস দলে চাঁদের আবির্ভাব হচ্ছে, কারন প্রিয়াঙ্কা শিগগিরই দলে আসছেন। এই পোস্টারের বিষয়ে জানতে চাইলে শোভা ওই মন্তব্য করেন। কংগ্রেস নেতা অস্কার ফার্দানান্দেজ জানান, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার জন্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রস্তুত। দলীয় সূত্র জানায়, প্রিয়াঙ্কা দলের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সভায় উপস্থিত থেকে ভাই রাহুল গান্ধীকে পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করছেন। গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুলের নির্বাচনী আসনে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। নেতারা যখন রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বিষয়টি খোলাসা করছেন তখনই তা অস্বীকার করে সবাইকে হতবাক করে দিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। গতকাল হিন্দুস্তান টাইমস তাদের অনলাইনে এক প্রতিবেদনে জানায়, তিনি এই ধরনের খবরকে ভিত্তিহীন গুজব উল্লেখ করে বলেন, এটা কেবলই অনুমান। তিনি বলেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো যারা এই ধরনের ভিত্তিহীন খবর থেকে বিরত থাকবেন। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাজনীতিতে সক্রিয় হলে রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে? রাহুল ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। সেবার তিনি তার চাচা সঞ্জয় গান্ধী, বাবা রাজীব গান্ধী এবং মা সোনিয়া গান্ধীর আমেথির আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে জয়লাভ করেন। সংসদ সদস্য হবার পর রাহুল বহুবার গণমাধ্যমের সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। তবে ২০১০ সালে তার প্রশংসা করা হয়। ওই বছর তিনি শিব সেনাদের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ শিব সেনারা অ-মারাঠীদের হুমকি নানাভাবে দিচ্ছিল। এরপর তিনি আদিবাসী অধ্যুষিত নিয়ামগিরিতে একটি খনি কোম্পানির অ্যালুমিনিয়াম খনন বন্ধ করে দেওয়ার পর প্রসংশিত হন। এরপর তাকে প্রধানমন্ত্রী করারও দাবি ওঠে। কিন্ত ২০১০ সালের পর তার জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে থাকে। এরপর তিনি বিভিন্ন নির্বাচনে প্রচারণা চালালেও তাতে ভাল ফল আসেনি।