বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট বাড়ানো হোক

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৪, ২১:৫০
বেসরকারি শিক্ষকদের মাধ্যমিক পর্যায়ে যাঁরা শিক্ষকতা করেন তাঁদের স্কেলের প্রতি সরকারের নজর দেওয়া উচিত। কারণ স্বল্প আয় দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা অনেক কষ্টকর। বর্তমানে ৬ হাজার , ৮ হাজার, ১১ হাজার স্কেলের টাকা দিয়ে সংসারের নিত্য প্রয়োজনীয় খরচ চালানোর পর বাকি অর্থ দিয়ে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য প্রয়োজন জাতীয় পে-স্কেল পরিবর্তনের সময় ইনক্রিমেন্ট ও উত্সবভাতা বাড়ানো। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইনক্রিমেন্ট যা দেওয়া হয়েছে তাই আছে। আর উত্সবভাতা স্কেলের ২৫% দেওয়া হচ্ছে। ঈদ এবং পূজা উত্সবে প্রত্যেক শিক্ষকের অবশ্যই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন। এ কারণে শিক্ষকদের উত্সবভাতা কমপক্ষে ৫০% করা দরকার। ঈদের মাসের বেতন দিয়ে অতিরিক্ত খরচ ও কোরবানি করলে পরবর্তী মাসে অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর ঋণ করে সংসার চালাতে হয়। শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষকের বেতন যথেষ্ট এবং সংসারের চিন্তা-জ্বালা না থাকলে একজন শিক্ষক অবশ্যই ভালো পাঠদান করার কাজে সব সময় ব্যস্ত থাকবেন। এ দেশের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই শিক্ষাক্রম চালু। একই বোর্ডে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী রেজিস্ট্রেশন করে এবং ফলাফল একই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও গোল্ডেন এ প্লাস পায়। তাহলে স্কেলের ব্যাপারে বৈষম্য না রেখে, শিক্ষার মূল্য দিয়ে সামনের দিনগুলিতে এ দেশের বেসরকারি মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষক সমাজের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে জাতীয় পে-স্কেল পরিবর্তনের সময় স্কেলগুলো যাতে মানানসই হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে এবং তাঁদের উন্নয়নে জাতীয় পে-স্কেলে বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট ও উত্সবভাতা বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি। এস এম গোলাম মোস্তফা, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম