জুলাই মাসের শুরুতে ঢাকা-নবাবগঞ্জ-দোহার পদ্মা বাইপাস মহাসড়কের সংস্কার কাজ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। মাস না যেতেই পুরনো চেহারায় ফিরে এসেছে। সড়ক খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। দুর্ভোগ থেকে কোনো রকমেই রেহাই পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।
ঢাকা-দোহার সড়কের কার্তিকপুর বাজার, চর কুশাই, মৈনটঘাট, করিমগঞ্জ, লটাখোলা, থানার মোড়, মেঘুলা, নারিশা, মুকসেদপুর সড়ক খানা-খন্দ আর গর্তে ভরপুর। একই অবস্থা নবাবগঞ্জ অংশের নবাবগঞ্জ বাজার, বাগমারা, কোমরগঞ্জ, ঋষিপাড়া, আগলা, টিকরপুর রাস্তায়। সংস্কারের এক মাস না যেতেই ইটের খোয়া উঠে গেছে। সড়কের গর্তগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। গর্তে ভরা রাস্তা যেন জনগণের চলাচলে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
দোহারের বাসিন্দা মো. করিম মিয়া বলেন, কয়েক বছর ধরেই ঢাকা-দোহারের রাস্তাটি খানা-খন্দে ভরা। মাত্র ৫ কি. মি. রাস্তায় উপজেলা সদরে পৌঁছতে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ঝাঁকুনিতে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। নবাবগঞ্জের টিকরপুরের বাসিন্দা ফটিক চান মোল্লা বলেন, রাস্তা সংস্কারের নামে চলছে লুটপাটের মহোত্সব। জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা না করে এক শ্রেণির ঠিকাদার ও সওজের লোকজন রাস্তায় লোক দেখানো কাজ করছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের মুন্সিগঞ্জ জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল হোসেন বলেন, ঈদের আগে লোকজনের চলাচলে সাময়িক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিলো। শীঘ্রই দরপত্র আহবান করে এসব রাস্তায় স্থায়ীভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
