জেলায় কয়েকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে বিষাক্ত ফরমালিন অবাধে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্লিনিকগুলো থেকে ফরমালিন কিনে ফলে ও বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রীতে প্রয়োগ করা হয় বলে জানা যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থা ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছে যে, জেলায় বিভিন্ন ক্লিনিকে ফরমালিন পাওয়া যায়। কারণ চিকিত্সার স্বার্থেই তারা কেবল ফরমালিন ব্যবহার করে। যদিও জেলা শহরে শতাধিক ক্লিনিক আছে যাদের কারো কোন অনুমোদন বা ফরমালিন আমদানি বা ক্রয়-বিক্রয়ের লাইসেন্স নেই। এছাড়া জেলায় নেই কোনো ফরমালিন বিক্রির এজেন্ট ও বৈধ বিক্রেতা। যদিও ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারগুলোতে এর প্রয়োজন হয় বেশি। এদিকে অনুসন্ধানে বাজারে আর কোথাও ফরমালিন পাওয়া যায়নি।
এক চিকিত্সকের সাথে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলে জানা যায়, কোন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীর কোন স্থান কেটে পরীক্ষা করতে ঢাকায় পাঠানো হলে সে ক্ষেত্রে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। এসব ক্ষেত্রে ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারগুলো ফরমালিন মজুত ও বিক্রি করে থাকে। দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মোশায়ের উল ইসলাম জানান, দিনাজপুরে ক্লিনিকের মালিকরা বিভিন্ন অপারেশনের নমুনা সংরক্ষণ ও পরীক্ষার অজুহাতে ঢাকা থেকে অবৈধভাবে ফরমালিন সংগ্রহ করে থাকে।
