২০০১ সালে মিডিয়ায় পদার্পণ সুজানার। র্যাম্প মডেল হিসেবে মিডিয়ায় দেখা দেন সুন্দরী এই মডেল। বড় বড় অনেক ফ্যাশন শোতেই তিনি ক্যাটওয়াক করেছেন। ২০০৩ সালে লাক্স সুন্দরী হন তিনি। এরপর অনেকগুলো পণ্যের বিজ্ঞাপন চিত্রে মডেল হওয়ার সুযোগ হয় তার। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘৫১বর্তী’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে টিভি নাটকে অভিনয়ের খাতা খোলেন সুজানা। মডেলিং ও অভিনয় দিয়ে মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান করে নেওয়া সুজানা সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য জানাচ্ছেন আহসান রনি
নাম :সুমাইয়া জাফর সুজানা
ডাকনাম :সুজানা
জন্মতারিখ :১৫ জুন
পড়াশোনা :আইডিয়াল কলেজ থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে মাস্টার্স করেছি।
অনুপ্রেরণা :আমার বাবা
প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :আমি আসলে লাজুক টাইপের মেয়ে ছিলাম। আমার প্রথম কাজ দেশের বিজ্ঞাপন জগতের অন্যতম পথিকৃত্ আফজাল হোসেনের সাথে। প্রথম দিন তো আমি রোবটের মতো দাঁড়িয়েছিলাম। তিনি আমাকে বললেন, ‘তুমি যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো এমন কিছু ভাবার দরকার নেই।’ তার কথা অনুযায়ী কাজ করাতে আর সমস্যা হয়নি।
অভিনেত্রী নাহলে যা হতেন :আমার ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন ছোট থেকেই। ভবিষ্যতে ফ্যাশন ডিজাইনার হয়েও যেতে পারি। আর যেহেতু বিবিএতে পড়ছি সেহেতু ব্যাংকারও হয়ে যেতে পারতাম।
আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :আয়নার সামনে দাঁড়ালেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই, যে তিনি আমাকে সুন্দর ও সুস্থ রেখেছেন।
আমার দেখা সেরা চলচ্চিত্র :হঠাত্ বৃষ্টি (বাংলা), দেবদাস (হিন্দি), চিলড্রেন অব হেভেন (ইংরেজি)
বারবার শোনা গান :হূদয় খানের ‘অবুঝ মন’, অদিতের ‘আজি আকাশ’।
যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’।
ফাস্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :খুব বেশি ফাস্টফুড খাওয়া হয় না। তবে যখন যাই প্রথমেই পানি অথবা জুস অর্ডার দিই। সিফুড আমার প্রিয় খাবার। সিফুডই তাই পরবর্তী মেন্যু।
ভালোবাসা কারে কয় :ভালোবাসার প্রধান বিষয় আমার কাছে মনে হয় সম্মান। ভালোবাসায় কোনো স্বার্থপরতা থাকবে না। ভালোবাসতে হবে নিঃস্বার্থভাবে।
হানিমুনে যাবো :কিছুদিন আগেই শিল্পী হূদয় খানের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই হানিমুনে আমরা আমেরিকাতে যাচ্ছি। ওখানে কয়েকটি স্টেট ঘুরে দেখব।
মজার স্মৃতি :গ্রাম আমি খুব পছন্দ করি। যখন আমার দাদুবাড়িতে যাই তখন অনেক মজা করি। বিশেষ করে গ্রামটির প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের সাথে আমার অনেক সুন্দর সময় কাটে। ওখানে বেড়াতে যাওয়ার সময় আমি ওদের জন্য চকলেট ও খাবার-দাবার নিয়ে যাই। আমার নিজের অনেক ভালো সময় কাটে ওখানে।
