লঞ্চ ও স্পিডবোট এড়িয়ে চলছে অধিকাংশ যাত্রী

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪৫
পিনাক ৬ লঞ্চ ডুবির ঘটনার পর কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুটে ফেরিতে উপচে পড়া ভীড়। অন্যদিকে লঞ্চ, স্পিডবোট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে মানুষ। ফলে প্রতি মুহুর্তে উপচে পড়া ভীড় পড়েছে এ রুটের ফেরিগুলোতে। একজন লঞ্চ মালিক জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচলে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করে ঘাট এলাকাগুলো পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী লঞ্চে যাত্রী উঠানো হচ্ছে। সরেজমিনে বিআইডবিস্নউটিসি, বিআইডবিস্নউটিএসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সাথে দক্ষিনাঞ্চলের স্বল্প দুরত্বের মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুটে ৮৭টি লঞ্চ, ৫ শতাধিক স্পিডবোট ও ১৮টি ফেরি চলাচল করে। ফেরিগুলোকে বর্তমানে যানবাহনের চাইতে যাত্রীদেরকেই বেশি পারাপার করতে হচ্ছে। কাওরাকান্দি ঘাট থেকে এ পর্যন্ত ৩টি ফেরি যানবাহন না নিয়ে শুধু যাত্রীদের নিয়ে পার হতে হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ফেরিকেই পর্যাপ্ত যানবাহনের পরিবর্তে যাত্রী নিয়ে পার হতে হচ্ছে। ফলে কাওরাকান্দি ঘাট এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। স্বপরিবারে ঢাকাগামী নাদিরা বেগম বলেন, পদ্মা নদীর তুলনায় এ রুটের লঞ্চগুলো ছোট। ভেতরে বয়া থাকলেও তা পর্যাপ্ত না। তাই ভয়ে ফেরিতে যাচ্ছি। এক লঞ্চ যাত্রী পুস্প সাহা বলেন, এখন যেভাবে লঞ্চ ও স্পীডবোটগুলো যাত্রী গুনে গুনে নিচ্ছে, এভাবে যাত্রী নিলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু দুর্ঘটনার আগে এক একটি লঞ্চে গাদাগাদি করে যাত্রী নিত। কাওরাকান্দি লঞ্চ ঘাটে কর্তব্যরত নৌ পুলিশের এসআই গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমরা কাগজপত্র দেখে ধারনক্ষমতার সমান যাত্রী দিচ্ছি। বিআইডবিস্নউটিসির কাওরাকান্দি ঘাট ম্যানেজার আব্দুল সালাম বলেন, লঞ্চ ডুবির পর ৯৫ ভাগ যাত্রী ফেরিগুলোতে পার হচ্ছে। ফলে অনেক ফেরি শুধু যাত্রী নিয়েই পার হচ্ছে।