শেয়ারবাজারের লেনদেন কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন দেখে

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৪, ২০:৩৪
গত কয়েক দিন ধরে শেয়ারবাজারের লেনদেন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেসব কোম্পানির অর্ধ বার্ষিক ও প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলোতে বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে। যেসব কোম্পানির আয় বেড়েছে সেগুলোতে ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েছে। অর্থাত্ মোটামুটি আর্থিক প্রতিবেদনের গতি প্রকৃতি দেখে বাজারে লেনদেন হয়েছে। এতে চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে ওষুধ, বস্ত্র, জ্বালানি ও প্রকৌশল খাতে। এছাড়া লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতটিও ছিল গতিশীল। দেখা গেছে, গত সপ্তায় আগ্রহের শীর্ষে ছিল ওষুধ ও জ্বালানি খাত। ওষুধ খাতের শীর্ষ মূলধনি কোম্পানির হিসাব বছর শেষে লভ্যাংশ ঘোষণা ও বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানির অন্তবর্তী লভ্যাংশ কেন্দ্র করে বিনিয়োগ বাড়ায় লেনদেনের শীর্ষস্থান দখল করেছে এ খাত। এছাড়া জুনে হিসাব বছর শেষ হওয়া জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোয় লেনদেন বাড়তে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩৪ শতাংশ এসেছে ওষুধ ও জ্বালানি খাতের কেনাবেচা থেকে। একক কোম্পানি হিসেবে গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার। গত সপ্তাহে বস্ত্র খাতেও বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বেড়েছে। এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির হিসাব বছরশেষে লভ্যাংশ ঘোষণার সময় ঘনিয়ে আসা এবং দর অনুকূলে থাকায় বিনিয়োগ বাড়ছে। গত সপ্তাহে লেনদেনের তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল খাতটি। আগের সপ্তাহের চেয়ে গত সপ্তাহে এ খাতের কেনাবেচা বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। আর জুনে হিসাব বছর শেষে বেশকিছু মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা এবং অবশিষ্ট ফান্ড লভ্যাংশ ঘোষণার অপেক্ষায় থাকায় গত সপ্তাহে খাতটির বাজার মূলধন বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে।