পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক প্রতারণা সংস্থা সারদা গোষ্ঠীর টাকা বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর মাধ্যমে ইউরোপে পাচার হয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর কাছে।
সংস্থাসূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শেষের দিকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কয়েকশ’ কোটি রুপি বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর কাছে আসে। সীমান্তে সেই রুপি বাংলাদেশি টাকায় বিনিময় করতে সাহায্য করেন পশ্চিমবঙ্গের এক প্রভাবশালী নেতা। পশ্চিমবঙ্গের ঐ নেতার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির সীমান্তে ব্যবসা আছে। তার মাধ্যমেই এই কাজ করা হয়েছে।
সিবিআইসূত্রে জানা গেছে, এই টাকা ইউরোপে পাঠানোর বিনিময়ে কমিশন পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে কার মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সারদা গোষ্ঠীর যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল জানতে তদন্ত চলছে। শুধুই কি কমিশন? নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে? তাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। কমিশন বাবদ জামায়াত কত টাকা পেয়েছে তাও জানার চেষ্টা হচ্ছে। সিবিআই জানিয়েছে, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হবে।
ইতিমধ্যেই ভারতের আরেক গোয়েন্দা সংস্থা তৃণমূলের নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বস্ত্রমন্ত্রী শ্যামাপদ মুখার্জিকে জেরা করেছে। সোমবার তার পাশাপাশি জেরা করা হয়েছে অভিনেত্রী অপর্ণা সেনকেও। অপর্ণা সেন সারদা গোষ্ঠীর একটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। আর তৃণমূলের মন্ত্রী লোকসানে চলা তার সিমেন্ট কারখানাটি বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে সারদা গোষ্ঠীকে বিক্রি করেছিলেন। আর এ নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে মানুষের কাছ থেকে নেয়া কয়েক হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল জানতে তদন্ত করতে গিয়েই উঠে আসে জামায়াতে ইসলামীর নাম।
