সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন প্রায় পাঁচ মাস আগে। নিষেধাজ্ঞা কমানো না হলে আগামী ছয় মাসেও আর টেস্ট মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই সাকিব আল হাসানের। কিন্তু খেলার বাইরে থাকার পরও, র্যাংকিংয়ে সাকিবের উত্থান-পতন থেমে নেই। সর্বশেষ যখন টেস্ট খেলেছিলেন, তখন অলরাউন্ডারদের র্যাকিংয়ে ছিলেন এক নম্বরে। এরপর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এক থেকে নামতে নামতে তিন নম্বরে গিয়ে ঠেকেছিলেন সাকিব। অবশেষে মাঠে না নেমেই আবার নিজের এক নম্বর জায়গাটা ফিরে পেলেন বাংলাদেশের সেরা এই ক্রিকেটার।
রবিচন্দন অশ্বিন ও ভারনন ফিল্যান্ডারকে হটিয়ে রিলায়েন্স-আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ের এক নম্বরে আবার উঠে এসেছেন ৩৬৪ পয়েন্টের মালিক সাকিব। গত বছর আগস্ট মাস পর্যন্ত সাকিবের লড়াইটা ছিল মূলত পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে। সপ্তাহে সপ্তাহে এক নম্বরে ওঠা-নামার লড়াইয়ে গত আগস্টে আবার জায়গাটা ফিরে পেয়েছিলেন এর আগে প্রায় দু বছর ধরে এক নম্বর জায়গাটা ধরে রাখা সাকিব। এরপর জ্যাক ক্যালিসের সঙ্গে কিছুদিন টানাপড়েন গেছে।
কিন্তু গত মাস কয়েক ধরে সাকিবের জন্য এই এক নম্বর স্থানের হুমকি হয়ে ওঠেন ভারতীয় স্পিনার অশ্বিন ও দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার ফিল্যান্ডার। মাস দু’য়েক আগেই সাকিবকে সরিয়ে এক নম্বর হয়ে যান অশ্বিন।
একদিকে সাকিব খেলার বাইরে এবং অন্যদিকে দু’জনের ভালো পারফরম্যান্স মিলিয়ে গত সপ্তাহেই তিন নম্বরে নেমে যান বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। এক নম্বর ধরে রেখেছিলেন অশ্বিন এবং সাকিবকে আরও এক ধাপ পিছিয়ে দিয়ে দুই নম্বরে চলে যান ফিল্যান্ডার।
এবার অবশ্য শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের পারফরম্যান্সের সুবিধা পেলেন সাকিব। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা দল হিসেবে সিরিজ জিতলেও ফিল্যান্ডার ব্যাটে-বলে এমন কিছু করতে পারেননি। আর অশ্বিন তার দলের মতোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যর্থ। ফলে দু’জনেরই রেটিং পয়েন্ট কমেছে।
অশ্বিনের রেটিং ৩৭২ থেকে কমে ৩৫৭ হয়ে গেছে। আর ফিল্যান্ডারের রেটিং ৩৬৫ থেকে কমে চলে গেছে ৩৪৮-এ। ফলে আপনাতেই দু’ জনের ওপরে চলে এসেছেন সাকিব। এই ওপরে ওঠায় সাকিবের মাঠে কোনো পারফরম্যান্স প্রভাব না ফেললেও এটা গুরুত্বপূর্ণ বৈ-কি। নিষেধাজ্ঞায় ঘরে বসে থাকা এই সময়টাতেও একটা প্রেরণার খবর পেলেন।
